ন্যু ক্যাম্পের মতো গোলবন্যার পুনরাবৃত্তি হলো না সেল্টিক পার্কে। গত সেপ্টেম্বরে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গ্রুপ পর্বে প্রথম মুখোমুখি লড়াইয়ে সেল্টিককে ৭-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল বার্সেলোনা। একপেশে ওই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করেছিলেন মেসি। কিন্তু দ্বিতীয় দেখায় তিনিও নিজেকে খুব বেশি মেলে ধরতে পারেননি। প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের কড়া নজরদারিতে ছিলেন ২৯ বছর বয়সী। তারপরও মেসিই ছিলেন দ্বিতীয় ম্যাচের নায়ক। তার নৈপুণ্যে ভর করে সেল্টিককে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করল বার্সেলোনা।
সেল্টিক পার্কে ২৪ মিনিটে বার্সা গোলমুখ খোলে তাদের ১০ নম্বর জার্সিধারীর চমৎকার গোলে। রক্ষণভাগ গলে ডানদিকে মেসিকে খুঁজে পেয়ে তাকে বল ঠেলে দেন নেইমার, প্রথম শটেই অসহায় গোলরক্ষক ক্রেইগ গর্ডনকে পরাস্ত করেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। ১-০ গোলে এগিয়ে যায় কাতালান জায়ান্টরা। বিরতিতে যাওয়ার চার মিনিট আগে দ্বিতীয় গোলের সুযোগ পায় তারা। কিন্তু মেসির ক্রস থেকে লুইস সুয়ারেজের দুর্দান্ত হেড ঠেকিয়ে সেল্টিককে স্বস্তিতে রাখেন গর্ডন।
গত চার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচে এটি ছিল মেসির নবম গোল, চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এখন তিনিই সবার উপরে। হ্যাটট্রিকেরও সুযোগ পান মেসি। ৬৮ মিনিটে তার ডানপায়ের শট গোলবারের কিছুটা পাশ দিয়ে চলে যাওয়ায় সেটা হয়নি।
শেষদিকে নেইমার রেগে গিয়ে হেরে গেলেন। ৭১ মিনিটে সেল্টিক মিডফিল্ডার মিকায়েল লুসতিগের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে হলুদ কার্ড দেখেন ব্রাজিলিয়ান তারকা। এতে করে গ্রুপের শেষ ম্যাচে তাকে নিষিদ্ধ হতে হলো। আগামী ৬ ডিসেম্বরে বার্সা খেলবে বরুশিয়া মনশেনগ্ল্যাডবাখকে। টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়া সেল্টিক একই দিন খেলবে ম্যানচেস্টার সিটির বিপক্ষে।
/এফএইচএম/