২০১৪ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচ। নাইজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি আর্জেন্টিনা ৩-২ গোলে জিতল লিওনেল মেসি জাদুতে। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের প্রশংসা করে নাইজেরিয়ার কোচ স্টিফেন কেশি বলেছিলেন, ‘বৃহস্পতি (গ্রহ) থেকে এসেছে মেসি।’ বার্সেলোনা তারকাকে প্রতিপক্ষের অনেক কোচই অনেকবার ভিনগ্রহের খেলোয়াড় হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তার দুর্দান্ত ফুটবলের কারণে। তো কাতালান ডার্বিতেও খুদে জাদুকরকে প্রশংসায় ভাসালেন এস্পানিওল কোচ কুইকে সানচেস ফ্লোরেস। কিন্তু বুঝতে পারেননি জল গড়াবে এতদূর। প্রশংসা করে বিপদে পড়ে যাওয়া এস্পানিওল কোচ তাই ক্ষমা চেয়ে নিলেন সমর্থকদের কাছ থেকে।
কাতালান ডার্বি বার্সেলোনা জিতেছে ৪-১ গোলে। মেসি মাত্র একবার লক্ষ্যভেদ করলেও গোটা ম্যাচে তিনি ছিলেন অতুলনীয়। জাদুকরী পারফরম্যান্সে ন্যু ক্যাম্পকে মাতিয়ে রাখা মেসিতে মুগ্ধ হলেন এস্পানিওল কোচ কুইকে সানচেসও। তাই ম্যাচশেষে জড়িয়েও ধরলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে। পরে সংবাদসম্মেলনে বলে বসলেন, ‘মেসি চাইলে প্রতি ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করতে পারে।’ নগরপ্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে এমন প্রশংসা করার বিষয়টি মোটেও ভালোভাবে নেয়নি এস্পানিওল সমর্থকরা। ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়া কুইকে সানচেস তাই ক্ষমা চেয়ে নিলেন তার মন্তব্যের জন্য, ‘আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। এস্পানিওল ভক্তদের আঘাত করার কোনও ইচ্ছা ছিল না আমার। এই ক্লাবই এখন আমার পরিচয়।’
কাতালান ডার্বিতে বার্সেলোনা-এস্পানিওল একে অন্যের ‘শত্রু’। অনেক বছর ধরে চলে আসা এই দ্বৈরথের ইতিহাসটা তিনি ঠিক জানেন না বলেও যোগ করেছেন তার বক্তব্যে, ‘দেখুন আমি এই ক্লাবের ১১৬ বছরের ইতিহাস জানি না, কারণ এখানে যোগ দিয়েছি তিন মাস হলো। তবে এটা ঠিক আমি সব সময় চাই এই ক্লাবের মানুষজন যেন সুখে থাকে, ভালো থাকে, সেই দিক থেকে তাদের আঘাত করায় আমি দুঃখিত।’ মার্কা
/কেআর/