আগেই লিওনেল মেসি, নেইমার ও লুই সুয়ারেসকে ছুটি দেন বার্সা কোচ। প্রথম লেগে ড্র করে ছিটকে যাওয়ার কিঞ্চিৎ আশঙ্কা থাকলেও নিয়মিত গোলরক্ষক মার্ক আন্দ্রে-টের স্টেগেনকে বিশ্রামে রেখে এনরিকে সুযোগ দিলেন জ্যাস্পার সিলেসেনকে। আক্রমণভাগে পাকো আলকাসের, সঙ্গে ছিলেন আরদা তুরান ও রাফিনহা। ‘এমএসএন’র অভাব শুরুতে বোঝা গিয়েছে। কিন্তু ৩৭ মিনিটে দারুণ এক কাউন্টার অ্যাটাকে গোল করে বার্সা। বাঁপ্রান্ত থেকে গোমেস বল ঠেলে দেন রাফিনহার কাছে। বল বাতাসে ভাসিয়ে দেন রাফিনহা, হাফ ভলিতে ইভান বুইগেসকে অসহায় বানিয়ে ১-০ করেন লুকাস দিগনে।
গোলমুখ খোলার পর হারকিউলিসের ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যায় বার্সা। বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে অতিথিদের ডি বক্সে ফাউলের শিকার হন তুরান। স্পট কিক থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইভান রাকিটিচ।
বিরতির পরের ৪৫ মিনিট ছিল শুধুই বার্সার, বিশেষ করে তুরানের। দলের তৃতীয় গোলেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান তার। তুরানের বাড়িয়ে দেওয়া বলেই ৩-০ করেন রাফিনহা। দুই গোলে পরোক্ষ অবদান রাখার পর তুর্কি তারকা নিজের প্রথম গোল করেন ৫৫ মিনিটে। তার হ্যাটট্রিকের মাঝে আলকাসের ৭৩ মিনিটে ক্লাবের জার্সিতে প্রথম গোল করেন রাফিনহার নিচু ক্রস থেকে। ৮৬ ও ৮৯ মিনিটে বার্সার হয়ে ৬ ও ৭ নম্বর গোল করেন তুরান।
দুই লেগ মিলিয়ে ৮-১ গোলে শেষ ৩২ এর বাধা পেরোল বার্সেলোনা। আগামী শুক্রবার হবে শেষ ষোলোর ড্র। যার দুই লেগ হবে আগামী বছরের ৪ ও ১১ জানুয়ারি।
/এফএইচএম/