এই মাদকের কারণেই জাতীয় দল থেকে বিতর্কিত হয়ে বিদায় নেন ৮৬ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপে মাত্র দুই ম্যাচ খেলে বহিষ্কৃত হন ইফিড্রিন টেস্টে ধরা পড়ায়। এরপর আর কখনও জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেওয়া হয়নি। এর তিন বছর আগে ইতালিতে ড্রাগ টেস্টে তার শরীরে কোকেইনের অস্তিত্ব পাওয়া গেলে ১৫ মাসের জন্য নিষিদ্ধ হন ম্যারাডোনা। ১৯৯২ সালে ফিরলেও নাপোলি ছেড়ে যোগ দেন সেভিয়ায়, এরপর স্বদেশী ক্লাব নিউওয়েলস ওল্ড বয়েজে খেলে ১৯৯৭ সালে ফুটবল ক্যারিয়ার শেষ করেন বোকা জুনিয়র্সে। স্বাভাবিক বয়সে (৩৭) ফুটবলকে বিদায় জানালেও ম্যারাডোনার কীর্তি কিছুটা হলেও ম্লান হয়েছে ওই মাদকাসক্তির কারণে। বুটজোড়া একবারে তুলে রাখলেও আরও প্রায় এক দশক ভুগেছেন এ বাজে আসক্তিতে।
আর্জেন্টিনার সাবেক এ অধিনায়ক বুঝতে পেরেছিলেন মাদক তার জীবনের কাল হয়ে এসেছিল। আর তাই মাদকের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ে সফল হয়ে জীবন সম্পর্কে নতুন করে জেনেছেন তিনি।
বর্ণিল ও বিতর্কিত ক্যারিয়ারে অর্থ, মেয়ে ও মাদকের মধ্যে কোনটা সবচেয়ে বড় ধরনের হুমকি ছিল জানতে চাইলে একবাক্যে ম্যারাডোনা বলেছেন, ‘মাদক ছিল সবচেয়ে বড় সমস্যা- এটা মেরে ফেলে। আমি ভাগ্যবান যে এখানে আপনার সঙ্গে কথা বলছি। যদি এটা চালিয়ে যেতাম তাহলে আমি মারা যেতাম, কোনও সন্দেহ নেই। ১৩ বছর হলো মাদক ছেড়েছি এবং খুব ভালো আছি।’ সূত্র- গোলডটকম
/এফএইচএম/