জার্মানির তারকা খেলোয়াড়দের ছাড়া এ টুর্নামেন্টে বড় ঝুঁকিই নিয়েছিলেন ল্যোভ। কিন্তু তরুণ খেলোয়াড়রা তার আস্থার প্রতিদান দিলেন দারুণভাবে। ফাইনালের আগে কেবল চিলি তাদের বিপক্ষে হার এড়াতে পেরেছিল। গ্রুপে ১-১ গোলে ড্র করেছিল দুই দল। এর পুনরাবৃত্তি হলো না ফাইনালে। তাই নির্ধারিত সময়ে শেষ হলো ম্যাচ, আর শিরোপা হাতে দেশে ফিরল বিশ্বসেরা দল।
বল দখলে হোক বা আক্রমণে হোক, প্রথম ১৫ মিনিট দুই ক্ষেত্রেই এগিয়ে ছিল চিলি। জার্মানির রক্ষণভাগ ছিল খানিকটা নড়বড়ে। এ সুযোগে আরতুরো ভিদাল, অ্যালেক্সিস সানচেজ ও ভারগাস আক্রমণে ছিলেন বেশ সক্রিয়। কিন্তু তারা কেউ পরাস্ত করতে পারেননি জার্মান গোলরক্ষক আন্দ্রে-টের স্টেগেনকে।
বরং ২১ মিনিটে রক্ষণের ভুলের বড় মাশুল দিতে হয় চিলিকে। মার্সেলো দিয়াজ বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে বক্সের ভেতরে ঠেলে দেন। খুব কাছ থেকে বল পায়ে পান টিমো ওয়ার্নার। আরবি লিপজিগ স্ট্রাইকার ক্লাউদিও ব্রাভোকে বোকা বানিয়ে বাঁ-প্রান্তে বল দেন, খালি জালে গোল করেন স্টিন্ডল।
দ্বিতীয়ার্ধে সমানতালে লড়েছে দু’দল। তবে শেষ ১৫ মিনিট চিলি কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল। ৭৫ ও ৭৬ মিনিটে ভারগাস ও ভিদাল সমতা ফেরানোর সুযোগ পেলেও ব্যর্থ হন। ৮৫ মিনিটে খালি জাল পেয়েও সাগাল বল পাঠিয়ে দেন আকাশের দিকে! ইনজুরি সময়ে ফ্রিকিকে সানচেজের বাঁকানো শট বুদ্ধিদীপ্ত চেষ্টায় রুখে দেন টের স্টেগেন। মিনিটখানেক পর বাজে ম্যাচ শেষের বাঁশি। উল্লাসে ফেটে পড়ে তরুণ জার্মানি, যারা বিশ্বকাপের জন্য আগাম সতর্কবার্তা দিয়ে রাখল। গোল, ইএসপিএনএফসি
/এফএইচএম/