শুরুতে অবশ্য এগিয়ে গিয়েছিল স্বাগতিক ইকুয়েডরই। কিটোর স্তাদিও অলিম্পিয়াকোর দর্শকেরা নড়েচড়ে বসারও সুযোগ পেলেন না, তার আগেই গোল। ম্যাচ ঘড়িতে সময় গড়িয়েছে মাত্র ৪০ সেকেন্ড। আর্জেন্টাইনদের মনে ওই সময়ই ছুরি বসিয়ে দেন রেনাতো ইবারা। রবের্তো ওর্দোনেসের সঙ্গে হেডে ওয়ান টু ওয়ান খেলে বাঁ প্রান্ত থেকে চমৎকার শটে বল জালে জড়ান ইবারা।
গোল শোধে খুব একটা দেরি হয়নি আর্জেন্টিনার। ১২ মিনিটে চমৎকার এক আক্রমণ থেকে আলবিসেলস্তেদের সমতায় ফেরান মেসি। ক্ষীপ্রগতিতে বল নিয়ে এগিয়ে বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড পাস দেন আনহেল দি মারিয়াকে। রিটার্ন পাসে বল পেয়ে ছোট বক্সের সামনে থেকে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি।
খানিক পর মেসির আরেকটি দুর্দান্ত চেষ্টা দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন ইকুয়েডর গোলরক্ষক। সেবার হতাশ হলেও ২০ মিনিটে আবারও গোল উৎসবে মাতেন মেসি। দি মারিয়া পাসটা ঠিকমতো দিতে না পারলেও ইকুয়েডরের এক খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে বল চলে আসে মেসির কাছে। বার্সেলোনা তারকা দ্রুতগতিতে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন ডি বক্সে, এরপর দূর থেকে নিলেন জোরালো শট, একেবারে উপর জালে লাগা বলটা ধরার সাধ্য ছিল না ইকুয়েডর গোলরক্ষকের।