এনিয়ে তৃতীয়বার শেষদিকের গোল করে ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিলেন স্টারলিং। গত সপ্তাহে চ্যাম্পিয়নস লিগে তার ৮৮ মিনিটের গোলে ফেনুর্দকে হারায় সিটিজেনরা। হাডার্সফিল্ডের বিপক্ষে ৮৪ মিনিটে গোল করে তিনি দলকে জেতান রবিবার। সাউদাম্পটনের বিপক্ষে তো একেবারে শেষ মুহূর্তে এলো জয়সূচক গোল। কেভিন ডি ব্রুইনের ৪৭ মিনিটের গোলে এগিয়ে যায় সিটিজেনরা, ৭৫ মিনিটে সমতা ফেরান ওরিওল রোমিউ। মৌসুমে দ্বিতীয় ড্রয়ের শঙ্কায় যখন ছিল পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা, ঠিক তখন বক্সের বাইরে থেকে বাঁকানো শটে গোল করেন স্টারলিং। ম্যাচ ঘড়ির সময় তখন ৯৬ মিনিট।
এদিকে, এভারটনে দ্বিতীয় অধ্যায়ে উড়ছেন রুনি। প্রিমিয়ার লিগে ম্যানইউর শেষ মৌসুমে যেখানে করেছিলেন মাত্র ৫ গোল, বুধবার ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে সেটাকে ছাড়িয়ে গেলেন ১২ ম্যাচ খেলে। গুডিসন পার্কের ক্লাবে তিনি করে ফেলেছেন ৭ গোল। মৌসুমের চতুর্থ জয়ে তিনি ১৮, ২৮ ও ৬৬ মিনিটে গোল করেন। রুনি ফর্ম ফিরে পেলেও তার দল এভারটন ১৪ ম্যাচ শেষে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে ১৩ নম্বরে।