মাত্র ৫ মিনিটে জেরার্দ পিকের হেড ক্রসবারে লাগে। এরপর বার্সা গোলরক্ষক মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগেনের দুইবার পরীক্ষা নেয় স্বাগতিকরা। ৭ ও ১৬ মিনিটে রাবা ও সোরিয়ানোকে ঠেকান জার্মান গোলরক্ষক। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে ৩৬ মিনিটে সোরিয়ানোর শট গোলবারের পাশ দিয়ে চলে যায়। বেশ কয়েকটি সুযোগ কাজে না লাগাতে পারার আক্ষেপ নিয়েই যেন প্রথমার্ধ শেষ করে ভিয়ারিয়াল।
৫৯ মিনিটে পাকো আলকাসের গোলমুখ খোলার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু আসেনজোর বাধায় বার্সা পায়নি গোলের দেখা। কয়েক মুহূর্ত পর জর্দি আলবার শট যায় মাঠের বাইরে। তবে অতিথিদের জন্য মোড় ঘোরানোর মতো ঘটনা ঘটে ৬১ মিনিটে। সের্হিয়ো বুসকেৎসকে কঠিন চ্যালেঞ্জ করে লাল কার্ড দেখেন ভিয়ারিয়ালের রাবা। ১০ জনের দলের বিপক্ষে ৬৭ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো বার্সা। কিন্তু রাকিতিচের শট পোস্টে লাগে। অবশেষে বার্সা গোলের দেখা পায়।৭২ মিনিটে মেসির পাস খুঁজে পায় লুই সুয়ারেসকে। আলকাসেরের সঙ্গে ওয়ান-টু পাসে ১-০ করেন উরুগুয়ান স্ট্রাইকার।
৭৬ মিনিটে আবার কঠিন পরীক্ষায় উতরে যান টের স্টেগেন। মানু ত্রিগুয়ার্সকে দুইবার বাধা দেন বার্সা গোলরক্ষক। ৮১ ও ৮৩ মিনিটে সুয়ারেস ও আলকাসের বড় দুটি সুযোগ নষ্ট করার পর অতিথিরা দ্বিতীয় গোল পায়। সুয়ারেসের পাস থেকে বল পেয়ে ৮৩ মিনিটে আলভারো গঞ্জালেস ও ভিক্টর রুইজকে বোকা বানিয়ে ২-০ করেন মেসি। নির্ধারিত সময়ের শেষ দুই মিনিটে সুয়ারেস ও ভিদালকে ঠেকিয়ে আসেনজো হারের ব্যবধানটা বড় হতে দেননি।