১৮ ম্যাচ থেকে শেখ জামালের সংগ্রহ ৪৩ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে ঢাকা ও চট্টগ্রামের দুই আবাহনীরই পয়েন্ট ৪২। গোল গড়ে অবশ্য চট্টগ্রাম আবাহনী এগিয়ে। ১৫ পয়েন্ট নিয়ে ব্রাদার্স আছে অষ্টম স্থানে।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে পঞ্চম মিনিটেই সলোমন কিংয়ের গোলে এগিয়ে যায় শেখ জামাল। জাভেদ খানের ক্রস থেকে হেডে গোল করেন গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড। ৪৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করা গোলও সলোমনের। নুরুল আবসারের লবে তার প্লেসিং শট জড়িয়ে যায় জালে। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে কঙ্গোর ফরোয়ার্ড সিও জুনাপিওর পেনাল্টি গোলে ব্যবধান কমিয়ে আনে ব্রাদার্স।
কিন্তু ৭৮ মিনিটে আবার দুই গোলের ব্যবধান হয়ে যায়। সলোমনের সঙ্গে ওয়ান-টু খেলে লক্ষ্যভেদ করেন নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড রাফায়েল ওডোইন। ১৪ গোল নিয়ে রাফায়েল এখন লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা। দুই গোল কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে সলোমন।
৮১ মিনিটে স্কোরলাইন ৩-২ করে ব্রাদার্স। ডান দিক থেকে জোসেফ নুরের ফ্রি-কিকে হেড করে শেখ জামালের গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন বদলি ফরোয়ার্ড বিশাল দাস। শেষ মুহূর্তে ব্রাদার্সের পেনাল্টির আবেদনে রেফারি মিজানুর রহমান সাড়া না দিলে ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। খেলা শেষে রেফারির দিকে তেড়ে যান ব্রাদার্সের ম্যানেজার আমের খান। এরপর পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
অন্য ম্যাচে পুরোনো ঢাকার দুই দলের লড়াইয়ে ফরাশগঞ্জ জিতেছে মিনহাজুল আবেদীন, চিনেডু ম্যাথিউ আর মাহমুদুর রহমান মুন্নার গোলে। ১৮টি করে ম্যাচ খেলে ফরাশগঞ্জ-রহমতগঞ্জ দুই দলেরই সংগ্রহ ১৩ পয়েন্ট। পয়েন্ট টেবিলের শেষ দুটি স্থানে থাকায় দুই দলের সামনেই রেলিগেশনের আশঙ্কা।