একসময় বছরে একটি বা বড় জোর দুটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ মিলতো মেয়েদের। তবে কয়েক বছর ধরে এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। এখন ম্যাচ আর প্রতিযোগিতার সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি সাফল্যও আসছে নিয়মিত। ২০১৫ সালে নেপালে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৪ ফুটবলের আঞ্চলিক পর্ব আর ২০১৬ সালে তাজিকিস্তানে একই প্রতিযোগিতায় শিরোপা উপহার দিয়েছিল মেয়েরা। গত বছর ভারতের শিলিগুড়িতে মেয়েদের সাফ ফুটবলে রানার্স-আপ আর ঘরের মাঠে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবলের বাছাই পর্বে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। আর এ বছরের শেষদিকে এলো সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্ব।
তবে আগামী বছর কঠিন পরীক্ষায় নামতে হবে মেয়েদের। সাফের তিনটি প্রতিযোগিতা অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-১৭ আর জাতীয় দলের লড়াইয়ে নামবে বাংলাদেশ। পাশাপাশি অংশ নেবে এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬, অনূর্ধ্ব-১৯ আর ফুটসালে। এর মধ্যে ফুটবলের সংক্ষিপ্ত সংস্করণ ফুটসালে অংশ নিয়ে নতুন অভিজ্ঞতা হবে মেয়েদের।
সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবলে গোলাম রব্বানী ছোটনের কোচিংয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। মেয়েদের ফুটবল নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করা ছোটন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘আগামী বছর অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা আছে। পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে ভবিষ্যতে আমাদের ভালো করার উজ্জ্বল সম্ভাবনা, এমনকি একাধিক ট্রফি জেতাও সম্ভব। আমার দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেছে, আগের চেয়ে ভালো করতে হবে, নিয়মিত ট্রফি জিততে হবে।’
রবিবার ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জিতে কোচ উচ্ছ্বসিত, ‘ট্রফি যে জিতবো, সেই আত্মবিশ্বাস ছিল। মেয়েরা জানতো আমরাই ফেভারিট। তারা ভালো খেলেছে, প্রতিপক্ষকে কোনও সুযোগ দেয়নি। ধারাবাহিক পারফরম্যান্স আমাদের সাফের ট্রফি এনে দিয়েছে।’