ম্যানসিটির জয়যাত্রা থামালো ক্রিস্টাল

ড্রয়ের হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়ছে ম্যানসিটিইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বছরের শেষ দিনে বড় ধাক্কা খেলো ম্যানচেস্টার সিটি। তাদের টানা ১৮ ম্যাচের জয়যাত্রা থামলো ক্রিস্টাল প্যালেসের মাঠে।

গত মৌসুমে দুইবারের দেখায় ক্রিস্টালকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ম্যানসিটি। সেই দলটির বিপক্ষেই রবিবার গোলশূন্য ড্র করলো উড়তে থাকা পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা।

শেলহার্স্ট পার্কে এই ড্রয়ের সঙ্গে ইনজুরি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গার্দিওলা। গ্যাব্রিয়েল হেসুস প্রথমার্ধে মাঠ ছেড়েছেন অশ্রুসিক্ত হয়ে। ম্যাচের শেষ দিকে ইনজুরিতে পড়ে স্ট্রেচারে করে ড্রেসিংরুমে ফিরেছেন কেভিন ডি ব্রুইন।

অবশ্য ড্রয়ের হতাশা ছাপিয়ে ম্যানসিটিকে বরণ করে নিতে হতো হারকে। ভাগ্যিস এডারসন মোরায়েস দুর্দান্ত প্রচেষ্টায় ক্রিস্টালের পেনাল্টি রুখে দিয়েছিলেন! ইনজুরি সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে রহিম স্টারলিংয়ের ফাউলের শিকার হন জাহা। বিতর্কিত পেনাল্টির সিদ্ধান্ত জানান রেফারি। লুকা মিলিভোজেভিচের মাঝামাঝি নেওয়া শট পা দিয়ে ঠেকিয়ে দেন ম্যানসিটির ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক।

শেলহার্স্ট পার্কে একেবারেই ভালো সময় কাটেনি ম্যানসিটির। ২৩ মিনিটে চোট নিয়ে মাঠ ছাড়েন হেসুস। তার বদলি নামার পঞ্চম মিনিটে সের্হিয়ো আগুয়েরোর শট পোস্টে লাগে। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে অল্পের জন্য গোলপোস্টের পাশ দিয়ে চলে যায় এ আর্জেন্টাইনের শট।

পেনাল্টি ঠেকিয়ে ম্যানসিটির হার এড়ালেন এডারসনপ্রথমার্ধে মাত্র দুটি সুযোগ পেয়েছিল ম্যানসিটি। দ্বিতীয়ার্ধেও তারা লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি। তিনবার সুযোগ নষ্ট করেন আগুয়েরো, লেরয় শেন ও ডি ব্রুইন। ক্রিস্টাল গোলরক্ষক হেনেসে দক্ষতার সঙ্গে ঠেকান তাদের।

এই জয়ে নতুন করে নিজের রেকর্ড ছোঁয়া হলো না গার্দিওলার। ২০১৩-১৪ মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখকে টানা ১৯টি লিগ ম্যাচ জিতিয়েছিলেন স্প্যানিশ কোচ। আগস্টের পর প্রথমবার তিন পয়েন্ট অর্জনে ব্যর্থ হলো ম্যানসিটি। অবশ্য ১৪ পয়েন্টের ব্যবধানে লিগের শীর্ষে এখনও শক্ত অবস্থানে তারা।

২১ ম্যাচে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে এক নম্বরে ম্যানসিটি। দুই নম্বরে চেলসির পয়েন্ট ৪৫। ৪৪ ও ৪১ পয়েন্ট নিয়ে তিন ও চার নম্বরে ম্যানইউ ও লিভারপুল।