বলাই বাহুল্য, ছেলেদের ফুটবলে এমন দুরবস্থা। মেয়েদের ফুটবল দিন দিন উজ্জ্বল হয়ে উঠছে সাফল্যের আলোয়।
২০১৮ সালে অবশ্য উন্নতির সুযোগ পাচ্ছে ছেলেদের ফুটবল। কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের পাশাপাশি দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে। মার্চে কম্বোডিয়া আর ব্রুনেইয়ের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচের পর হতে পারে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ। সেপ্টেম্বরে ঢাকায় হবে সাফ ফুটবলের লড়াই। তার আগে কয়েকটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে পারেন ফুটবলাররা। বাংলাদেশের সামনে তাই ভাবমূর্তি উজ্জ্বলের দারুণ সুযোগ।
জাতীয় দলের কোচ অ্যান্ড্রু ওর্ড বয়সভিত্তিক দলগুলোকে ভালোই সাফল্য এনে দিয়েছেন বিদায়ী বছরে। এখন তার সামনে জাতীয় দলকে সাফল্য এনে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ। অস্ট্রেলিয়ান কোচ আশাবাদী। রবিবার বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘নতুন বছরে অবশ্যই আমাদের ভালো করার সুযোগ আছে। আশা করি, পারফরম্যান্সের পাশাপাশি ফিফা র্যাংকিংয়েও উন্নতি হবে আমাদের।’
নতুন বছরে কৃষ্ণা-সানজিদা-মারিয়াদের সামনেও ব্যস্ত সূচি। অন্তত আটটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার কথা মেয়েদের, যার মধ্যে আছে সাফের মূল আসর ও এশিয়ান গেমস। সদ্যসমাপ্ত সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবলে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে মেয়েরা প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছে দেশের মানুষের।
মেয়েদের ফু্টবল কোচ গোলাম রব্বানী ছোটনের কণ্ঠে নতুন বছরেও ভালো করার প্রত্যয়, ‘নতুন বছরে আমাদের অনেক খেলা আছে। বয়সভিত্তিক প্রতিযোগিতায় আমাদের ভালো করার যথেষ্ট সম্ভাবনা। আমরা প্রত্যেক টুর্নামেন্টের শিরোপা জিততে চাই, বাছাইপর্বে সেরা হতে চাই। নতুন বছরেও সাফল্য পেতে চাই আমরা।’
মেয়েরা ভালো করলেও ২০১৭ সালে খেলার সুযোগই হয়নি ছেলেদের। বিশেষ করে জাতীয় দলের। নতুন বছরে তাই মামুনুল-জাহিদ-এমিলিদের সামনে কঠিন পরীক্ষা। তারা পরীক্ষায় পাস করতে পারবেন তো!