অ্যাতলেতিকোর মাঠ থেকে কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে ২-১ গোলে জিতে ফিরেছিল সেভিয়া। শেষ চারে তখনই এক পা দিয়ে রাখা স্বাগতিকরা ঘরের মাঠের ফিরতি লেগেও দাপুটে ফুটবলে পেয়েছে দুর্দান্ত জয়। স্তাদিও রামন সানচেস পিজুয়ানের দর্শকদের নড়েচড়ে বসার আগেই গোল! মাত্র ২৪ সেকেন্ডে লক্ষ্যভেদ করে সমর্থকদের আনন্দে ভাসান সের্হিয়ো এস্কুদেরতো। পাবলো সারাবিয়ার ক্রস থেকে ডান পায়ের ভলিতে বল জালে জড়ান স্প্যানিশ লেফটব্যাক।
শুরুতেই ধাক্কা খাওয়া অ্যাতলেতিকো ম্যাচে ফেরে ১৩তম মিনিটে। গ্রিয়েজমানের করা দেখার মতো গোলে সেমিফাইনালের আশাও নতুন করে বেঁচে ওঠে তাদের। ফরাসি এই ফরোয়ার্ড ২৫ গজ দূর থেকে আচমকা এক শটে বল জড়ান জালে। সেভিয়া গোলরক্ষক সের্হিয়ো রিকো গোললাইন থেকে এগিয়ে থাকায় ডান পায়ের ভাসানো শটে লক্ষ্যভেদ করে ‘রোজিব্লাঙ্কোদের’ ফেরান সমতায়।
তাতে অবশ্য সেভিয়ার খেলার ধার বেড়েছে আরও। বিরতি থেকে ফিরেই আবার এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সাউল নিগেস নিজেদের বক্সের ভেতর হোয়াকিম কোরেয়াকে ফাউল করলে রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি। স্পট কিক থেকে ঠাণ্ডা মাথায় লক্ষ্যভেদ করে সেভিয়াকে লিড এনে দেন এভার বানেগা।
অ্যাতলেতিকোর আশার শেষ প্রদীপটা নিভিয়ে দেন সারাবিয়া। ৭৯ মিনিটে সফরকারী রক্ষণের দুর্বলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে দারুণ প্লেসিং শটে লক্ষ্যভেদ করে ব্যবধান করেন ৩-১। শেষ পর্যন্ত ৫-২ গোলের অগ্রগামিতায় সেমিফাইনালে ওঠে যায় সেভিয়া। আর কোয়ার্টার ফাইনালেই থামে অ্যাতলেতিকোর কাপ মিশন। গোল ডটকম