শুধু খেলোয়াড় নয়, কোচ হিসেবেও মারুফের কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছেন মিন্টু। শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র, শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব আর জাতীয় দলে মারুফ কোচ থাকার সময় তার সহকারী ছিলেন মিন্টু।
কোচ হিসেবে প্রথম কোনও টুর্নামেন্টের ফাইনাল, তার ওপরে প্রতিপক্ষ দলে সাবেক গুরু। এএফসি বি লাইসেন্সের অপেক্ষায় থাকা মিন্টু তাই কিছুটা আবেগাক্রান্ত। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বললেন, ‘মারুফ ভাই আমার গুরু, তার কাছ থেকে আধুনিক ফুটবলের অনেক কিছু শিখেছি। তার সঙ্গে আমার চমৎকার সম্পর্ক। তার কাছ থেকে শেখা বিদ্যাই খেলোয়াড়দের ওপর প্রয়োগ করতে পারছি, তাই তার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। মারুফ ভাই ঠাণ্ডা মাথায় অনেক কিছু শেখাতে পারেন। ডাগ আউটে তার অনেক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন দেখে অবাক হয়ে যাই।’
তবে ফাইনালে গুরুকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেবেন না মিন্টু, ‘যেহেতু ফাইনাল, তাই এখানে গুরু-শিষ্যের বিষয় আসবে না। ম্যাচটা কীভাবে জিতবো, সেদিকেই আমাদের দৃষ্টি।’
উয়েফা এ লাইসেন্স প্রাপ্ত কোচ মারুফ শিষ্য নয়, সতীর্থ হিসেবে দেখছেন মিন্টুকে। তার কথা, ‘মিন্টু অনেক ভালো কাজ করছে, চট্টগ্রাম আবাহনীকে ফাইনালে নিয়ে এসেছে। আমার সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে তার। ধীরে ধীরে ও নিজেকে গড়ে তুলেছে। দেখা যাক, ফাইনালে ওর দল কী করে।’