দায়িত্ব নেওয়ার আগে লন্ডন থেকে এই ব্রিটিশ কোচ কথা বলেছেন বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে। যেখানে নতুন এই চ্যালেঞ্জের জন্য মুখিয়ে থাকা হলকেই পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেছেন, ‘সাইফ স্পোর্টিংয়ে দায়িত্ব নেওয়াটা আমার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ জেতার জন্যই আমি বাংলাদেশে আসছি।’
হলের অনেক দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে। আফ্রিকায় অভিজ্ঞতা একটু বেশিই। তবে বাংলাদেশ সম্পর্কে তার ধারণা কম নয়। উয়েফা ‘এ’ লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোচ মারুফুল হক তার ছাত্র। ব্রিটিশ এই কোচের ভাষায় যা এমন, ‘আমি ১২টি দেশে কাজ করেছি। বিভিন্ন দেশে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে। বাংলাদেশের মারুফুল হক তো আমার ছাত্র। এছাড়া টেকনিক্যাল ডিরেক্টর পল স্মলি আমার বন্ধু। তার সঙ্গে ইংলিশ ফুটবল ফেডারেশনে কাজ করেছি। তাই এই দেশের ফুটবল সম্পর্কে ভালোই জানা আমার।’
সাইফের দায়িত্ব নতুন চ্যালেঞ্জ তার কাছে, ‘সাইফের কোচ হওয়াটা নতুন অভিজ্ঞতা বলতে পারেন। তাদের ভিশন আছে। ফুটবলকে তারা অনেক দূর এগিয়ে নিতে চায়। আমি তাদের পরবর্তী ধাপে এগিয়ে নিতে চাই।’ সঙ্গে যোগ করলেন, ‘শুরুতে একটি পেশাদার দল হিসেবে পরিণত করতে চাই, তারপর সাফল্য আসবে একে একে। সাইফ এএফসি কাপে প্রথমবার খেলেছে, তা জানি; তাদেরকে আবারও এএফসি কাপে খেলানোর লক্ষ্য আমার। আর আফ্রিকার দেশগুলোতে কাজ করার সময় নিয়মিত এমন কাপে খেলার অভিজ্ঞতাও আছে।’
এর আগে সাইফের দুজন কোচই ছিলেন ব্রিটিশ- কিম্বার্লিং গ্রান্ট ও রায়ান নর্থমোর। দুজনের কেউই বাঁচাতে পারেননি চাকরি। তাদের জায়গায় আরেক ব্রিটিম হল নিতে যাচ্ছেন নতুন দায়িত্ব। ক্লাবের অতীত অভিজ্ঞতায় চোখে রেখে বেশ সাবধানী হল, ‘আমি তো জানি তারা ভালো কোচ। কিন্তু কেন দলে থাকতে পারেনি, তারাই ভালো বলতে পারবে। তাদের সম্পর্কে আমার কিছু বলা উচিত হবে না। আমি আমার কথা বলতে পারি। যোগ্য হয়েই সাইফের কোচ হিসেবে কাজ করতে আসছি। বৃটিশ কোচ হিসেবে আমার কাছে তা চ্যালেঞ্জের।’ কথাটা শেষ করেই আবার বললেন, ‘ভারতের পুনে এফসি যেমন আমার অধীনে আই লিগে উঠেছে, তেমনটি সাইফকে পেশাদার দল হিসেবে নয়, একাডেমিসহ পুরো ক্লাবকে একটি কাঠামোতে পরিণত করতে চাই।’