ভিসা পেতে দেরি হওয়ায় লিগ শুরু হওয়ার ঠিক আগের দিন ভেন্যু মেঘালয়ের শিলংয়ে পৌঁছান সাবিনা ও কৃষ্ণা রানী সরকার। প্রথম ম্যাচে দল হারলেও সাবিনার খেলা মন জিতে নিয়েছে কোচের। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। সাবিনার কারণে ইংলিশ লিগে খেলার অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ তানভি হ্যান্স তেমন মাঠে নামার সুযোগ পাননি। বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ দলের অধিনায়ক কৃষ্ণা তো পুরো লিগেই ছিলেন ‘দর্শক’।
কোচ কল্পনা দাসকে সন্তুষ্ট করতে পেরে সাবিনা উচ্ছ্বসিত, ‘প্রথম ম্যাচে বদলি হিসেবে খেলেছিলাম। সেই ম্যাচে দল পাঁচ গোলে হারলেও আমার কিছু মুভমেন্ট কোচের ভালো লেগে যায়। পরদিন অনুশীলনেও আমার খেলা ভালো লাগে কোচের। তারপর থেকে আমি প্রতিটি ম্যাচেই শুরু থেকে খেলেছি। কোচের আস্থার প্রতিদান দিয়ে গোল পেয়েছি, দলও জিতেছে।’
ভারতীয় বংশোদ্ভূত বৃটিশ তানভি হ্যান্সের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে তার মন্তব্য, ‘আমি নিজের যোগ্যতায় দলে জায়গা করে নিয়েছি। তানভি হ্যান্সের কাছে জায়গা হারানোর কথা কখনও মনে হয়নি। আমার বিশ্বাস ছিল, পারফর্ম করতে পারলে সুযোগ পাবোই।’
শুধু কোচ নন, কর্মকর্তারাও সাবিনার খেলায় মুগ্ধ। সেথু এফসি তো আগামী মৌসুমেও তাকে খেলাতে আগ্রহী, ‘ওরা আগামী মৌসুমেও আমাকে খেলানোর ইঙ্গিত দিয়েছে, আমার খেলার অনেক প্রশংসা করেছে। আমাদের এখানে অনেক ভালো খেলোয়াড় আছে। আমার এবারের পারফরম্যান্সের পর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের আরও কয়েকজন ফুটবলার ভারতের লিগে খেলার সুযোগ পেতে পারে।’
২০১০ সাল থেকে জাতীয় দলে খেলা সাবিনা সবশেষে জানালেন, ‘ফুটবলই আমার প্রথম প্রেম, যতদিন পারবো ফুটবল খেলে যাবো। আপাতত বিয়ে নিয়ে কিছু ভাবছি না। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে চিন্তা করা যাবে।’