গত মৌসুমের হারটাই বেশি পুড়িয়েছে জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখকে। কোয়ার্টার ফাইনালে দুই লেগে মিলিয়ে তারা হেরেছে ৬-৩ গোলে। তার ওপর দ্বিতীয় লেগে বাজে রেফারিংয়ে বিরক্ত ছিল বায়ার্ন। এমন পরিস্থিতিতে প্রথম লেগে কাউকেই ফেভারিট মানছেন না বায়ার্ন কোচ ইয়ুপ হেইঙ্কেস, ‘এই ম্যাচে কোনও ফেভারিট নেই।’ এমন ভাবনার পেছনে তিনি ব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে বলেছেন, ‘সেমিফাইনালে এমন দুটি দল খেলছে চ্যাম্পিয়নস লিগে যাদের ইতিহাস আছে। রিয়াল অবশ্যই গত দুই মৌসুমের শিরোপা জিতেছে সেই হিসেবে তাদের এগিয়ে থাকারই কথা। তবে এটাও মনে রাখতে হবে আমাদের রয়েছে দারুণ ফর্ম।’
বায়ার্ন মিউনিখ কোচ এমন আত্মবিশ্বাসী হতেই পারেন। ইতোমধ্যে জেতা হয়ে গেছে বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপের শিরোপা। তাই ট্রেবল জয়ের হাতছানি তার সামনে। অপরদিকে টানা তৃতীয় শিরোপা জেতার দিকে ছুটতে থাকা রিয়ালের আগে এমন রেকর্ড আছে বায়ার্নেরই।
তাই সেই দলের বিপক্ষে রিয়াল মাদ্রিদ খেই হারাবে নাতো? এমন প্রশ্নে ঝাঁজালো কণ্ঠে উত্তর দেন রিয়াল কোচ জিনেদিন জিদান, ‘রিয়াল মাদ্রিদ এই ম্যাচে প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলবে না। আমরা মানসিকভাবে ফুরফুরে থেকেই এই ম্যাচ খেলতে যাচ্ছি। দারুণ একটি ম্যাচ খেলতে আমরা প্রস্তুত আছি।’
পরিসংখ্যান
১. ২৫ বারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগে মুখোমুখি হচ্ছে রিয়াল মাদ্রিদ ও বায়ার্ন। দুই দলই ১১ বার করে ম্যাচ জিতেছে। চ্যাম্পিয়নস লিগে এমন মুখোমুখি লড়াইয়ে এটাই সর্বোচ্চ।
২. ২০১১-১২ সালের পর তৃতীয়বারের মতো আবার সেমিফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল। এর আগে ২০১১-১২ মৌসুমে রিয়ালকে হারিয়ে ফাইনালে গেছে বায়ার্ন। অপর দিকে স্প্যানিশ জায়ান্টরা ২০১৩-১৪ মৌসুমে বায়ার্নকে হারিয়ে টিকিট কাটে ফাইনালের।
৩. চ্যাম্পিয়নস লিগে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে সবশেষ ৫ ম্যাচেই হেরেছে বায়ার্ন মিউনিখ। ৫টি ম্যাচই ছিল নকআউট পর্বে। তিনটি ছিল সেমি আর দুটি কোয়ার্টার ফাইনালে।
৪. চ্যাম্পিয়নস লিগে সবশেষ ১১ ম্যাচে একটি করে গোল আছে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর।