হোম এন্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে ১৩টি ক্লাব অংশ নিচ্ছে এবারের প্রতিযোগিতায়। এছাড়া বিদেশি ফুটবলারের কোটাও বেড়েছে। আগামী মৌসুমে দলগুলো চার বিদেশি খেলোয়াড় নিবন্ধন করার সুযোগ পাচ্ছে, এর মধ্যে একজন অবশ্যই এশিয়ান খেলোয়াড় হতে হবে। গতবার একাদশে দুজন খেলার সুযোগ পেলেও এবার চারজনই একসঙ্গে এক ম্যাচে নামতে পারবেন।
এই সভাতে সামনের মৌসুম নিয়ে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী ২২ অক্টোবর থেকে ফেডারেশন কাপ দিয়ে শুরু হবে মৌসুম, শেষ হবে ১১ নভেম্বর। পাঁচ দিন বিরতি দিয়ে লিগ শুরু হবে ১৬ নভেম্বর। ২০১৯ সালের ৩১ মে’র মধ্যে মৌসুম শেষ করার লক্ষ্য পেশাদার লিগ কমিটির। এছাড়া ক্লাবগুলোর অনুরোধে স্থানীয় ফুটবলারদের দলবদলের সময় দেড় মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিদেশি খেলোয়াড়দের পাশাপাশি এখন আগামী ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্থানীয় ফুটবলারদের দলে নেওয়ার সুযোগ থাকছে।
একই সঙ্গে ইউরোপিয়ান ফুটবলের মতো সপ্তাহে তিন দিন লিগের ম্যাচ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্র, শনি ও রবিবার ৬ ভেন্যুতে হোম এন্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে হবে খেলা। এবারই প্রথম লিগ ম্যাচের ফাঁকে স্বাধীনতা কাপের খেলা আয়োজন করা হবে।
বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ বলেছেন, ‘সপ্তাহে তিন দিন লিগের খেলা হবে। বাকি চার দিন ঢাকায় আমরা স্বাধীনতা কাপের ম্যাচ আয়োজন করব। তাতে লিগের সঙ্গে সঙ্গে মৌসুমও শেষ হবে। স্বাধীনতা কাপের জন্য ক্লাবগুলোকে বাড়তি ক্যাম্প খরচ করতে হবে না।’
প্রিমিয়ার লিগের ৬ ভেন্যু হলো- বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম, চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়াম, ময়মনসিংহ, নীলফামারী, গোপালগঞ্জ ও নোয়াখালী। রাজশাহী, সিলেট ও ঢাকার কমলাপুর স্টেডিয়াম বাদ পড়েছে। যদিও কোন দলের হোম ভেন্যু কোনটা হবে, শনিবারের সভায় তা চূড়ান্ত হয়নি।