থাইল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই

39257868_10156651930009675_1681250929245945856_oউজবেকিস্তান, থাইল্যান্ড ও কাতারকে নিয়ে ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশ। র‌্যাংকিংয়ে তিন দলের চেয়েই অনেক পিছিয়ে তারা। এশিয়ান গেমসে তাই প্রত্যেক ম্যাচ অগ্নিপরীক্ষা বাংলাদেশের জন্য। যার প্রথমটিতেই হারের হতাশায় ডুবতে হয়েছে তাদের। শক্তিশালী উজবেকিস্তানের কাছে ৩-০ গোলে হারের পর টুর্নামেন্টে টিকে থাকার লড়াইয়ে জেমি ডের শিষ্যদের সামনে এবার থাইল্যান্ড। এই ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় চিবিনংয়ের পাকানসারি স্টেডিয়ামে নামবে বাংলাদেশ।

দক্ষিণ কোরিয়ায় কঠোর অনুশীলনের আত্মবিশ্বাস নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় পা রেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু টানা তৃতীয়বারের মতো এই টুর্নামেন্টে উজবেকদের কাছে ৩ গোলের ব্যবধানে হেরে যেতে হয় তাদের। দুই একটা সুযোগ পেলেও কাজে না লাগাতে পারার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। যদিও ইংলিশ কোচ জেমি খুশি দল তাদের সেরাটা দেওয়ায়। তিনি বলেছেন, ‘আমি হারতে পছন্দ করি না। তবে ছেলেরা তাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে খেলেছে। এতেই আমি খুশি। আর তারা (উজবেকিস্তান) তো আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকা দল।’

প্রথম হারে আত্মবিশ্বাসে ধাক্কা লাগা স্বাভাবিক। কিন্তু কোচের আস্থা ঠিকই পাচ্ছে খেলোয়াড়রা। ‘বি’ গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে তাই শক্তিশালী থাইল্যান্ডের বিপক্ষে হার না মানা লড়াই দেখাবে তারা, এমন বিশ্বাস জেমির। ইংলিশ এই কোচ আশাবাদী, ‘থাইল্যান্ড র‌্যাংকিংয়ে আমাদের চেয়ে এগিয়ে আছে, শক্তিতেও। সুতরাং এই ম্যাচটিও আমাদের জন্য সহজ হবে না। আমরা আমাদের মতো চেষ্টা করবো ভালো খেলার জন্য।’

বাংলাদেশের ঘুরে দাঁড়ানোর বিশ্বাস তৈরি হয়েছে থাইল্যান্ডের প্রথম ম্যাচ দেখে। কাতারের সঙ্গে ১-১ গোলের ড্রয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করেছে তারা। দলের ম্যানেজার সত্যজিত দাশ রুপু ইতিবাচক ফল প্রত্যাশা করছেন, ‘থাইল্যান্ড ও কাতারের ম্যাচ দেখেছি। থাইল্যান্ডকে কিছুটা ধীরে ফুটবল খেলতে দেখেছি। জানি না আমাদের বিপক্ষে ওরা কীভাবে খেলবে। তবে আমরা সুযোগের অপেক্ষায় থাকবো। সেটা কাজে লাগাতে পারলে হয়তো ইতিবাচক ফল হতে পারে।’