বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু থেকে বল দখলে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও তেমন কার্যকর আক্রমণ করতে পারেনি নেপাল। বরং পাকিস্তান দ্বিতীয় আক্রমণেই পেয়ে যায় গোলের দেখা।
২৩ মিনিটে মহসিন আলীর থ্রো-ইন থেকে বক্সের ভেতরে বল পেলেও মোহাম্মদ আলী ঠিকমতো শট নিতে পারেননি। তবে ৩৫ মিনিটে পোস্ট অক্ষত রাখতে পারেনি নেপাল। মোহাম্মদ রিয়াজকে ডিফেন্ডার বিরাজ মহারাজন বক্সের ভেতরে ফেলে দিলে বেজে ওঠে জর্দানের রেফারি হাসান মাহমুদের বাঁশি। হাসান নাওয়িদ বশিরের সফল পেনাল্টিতে এগিয়ে যায় পাকিস্তান।
পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে নেপাল। তবে কয়েকটি কর্নার পেলেও তারা কাজে লাগাতে পারেনি। ৭৭ মিনিটে অবশ্য খেলার ধারার বিপরীতে দ্বিতীয় গোল প্রায় করেই ফেলেছিল পাকিস্তান। বদলি ফরোয়ার্ড সাদউল্লাহর প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে নেওয়া শট ফিরে আসে ক্রসবারে লেগে। এর পাঁচ মিনিট পর সমতা নিয়ে আসে নেপাল। কর্নার থেকে নিরঞ্জন খড়কার হেড এসে পড়ে বিমল ঘারতি মাগারের কাছে। তার বাঁ পায়ের প্লেসিং শট জড়িয়ে যায় জালে।
৮৯ মিনিটে এগিয়েও যেতে পারতো নেপাল। তবে সুনীল বল আর সুজল শ্রেষ্ঠার পর পর দুটি শট ঠেকিয়ে দলকে রক্ষা করেন গোলকিপার ইউসুফ বাট। এটাই হয়তো উজ্জীবিত করে তুলেছে পাকিস্তানকে। শেষ মুহূর্তের গোলে তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছেড়েছে তারা। ইনজুরি সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থেকে হেড করে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণী গোলদাতা মোহাম্মদ আলী।
প্রথম ম্যাচ জিতে ‘এ’ গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালে ওঠার আশা উজ্জ্বল করে তুলেছে পাকিস্তান। এই গ্রুপের অন্য দুই দল স্বাগতিক বাংলাদেশ ও ভুটান। ‘বি’ গ্রুপে লড়াই করবে ভারত, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কা।