নেপালের কাছে এই হারের পর খেলোয়াড়দের অনেকে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। রাত কেটেছে নির্ঘুম। সেমিফাইনালের একেবারে কাছে গিয়েও ব্যর্থ হওয়াকে হৃদয়বিদারক মনে করছেন মিডফিল্ডার ইমন মাহমুদ বাবু, ‘এভাবে সেমিফাইনালের আগে বিদায় নিতে হবে কল্পনাও করিনি। অনেক আশা নিয়ে খেলতে নেমেছিলাম। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের দেখা পেলাম না। তাও আবার ঘরের মাঠে হারতে হলো। এমন বিদায়ে আমরা দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাই। তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি।’
গোলরক্ষক শহীদুল আলম সোহেলের ভুলে গোল খাওয়া ম্যাচের গতি পাল্টে দিয়েছে মনে করেন এই মিডফিল্ডার, ‘সোহেলের ভুলে ওই গোলের পর আমরা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারিনি। এমন গোল কিছুতেই আশা করা যায় না। তারপরও চেষ্টা করে গেছি সবাই, কিন্তু ম্যাচে সমতা আসেনি।’
বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জামাল হতাশা নিয়ে বললেন, ‘গ্রুপের শেষ ম্যাচের পারফরম্যান্সে আমরা সবাই হতাশ। সেমিফাইনালে যেতে পারব, এই চিন্তা হয়তো আমরা করেছিলাম। কিন্তু হলো না। ভবিষ্যতে আরও ভালোভাবে ফেরার আশা রাখছি।’
সমর্থকদের কষ্ট দেওয়ায় হতাশ ফরোয়ার্ড সাদ উদ্দিন। তারপরও আগামীতে তাদের সমর্থন চান তিনি, ‘আমাদের পারফরম্যান্সের কারণে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা আমাদের মতো চেষ্টা করেছি, সফল হতে পারিনি। তবে আশা করছি সমর্থকরা আগামীতে আমাদের সমর্থন দিয়ে যাবেন।’
দুঃখ প্রকাশ করলেন মিডফিল্ডার বিপুল আহমেদ, ‘একবারের জন্যও চিন্তা করিনি, এভাবে গ্রুপ থেকে ছিটকে পড়ব। এভাবে বিদায় নিয়ে বেশ খারাপ লাগছে। যারা মাঠে খেলা দেখতে এসেছেন, তাদের জন্য আরও বেশি খারাপ লাগছে। তারপরও ভবিষ্যতে আপনাদের পাশে চাই। আপনাদের অনুপ্রেরণা নিয়ে এগিয়ে যাওয়াই লক্ষ্য।’
ডিফেন্ডার টুটুল হোসেন বাদশাও ফেসবুকে ক্ষমা চেয়েছেন, ‘ক্ষমা করবেন ফুটবলপ্রেমীরা।’