লাওস-ফিলিপাইন ম্যাচের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ

এবার আর হতাশ হতে চায় না বাংলাদেশমঙ্গলবার দুপুরে টিম হোটেলে বসে আছেন বাংলাদেশের কোচ জেমি ডে। সঙ্গে সহকারী স্টুয়ার্ট ওয়াটকিস। দুজনই বেশ নির্ভার, খেলোয়াড়রাও ফুরফুরে মেজাজে। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে লাওসকে হারিয়ে সেমিফাইনালের সম্ভাবনা উজ্জ্বল বাংলাদেশের। বুধবার লাওস-ফিলিপাইন ম্যাচ ড্র হলে কিংবা লাওস হেরে গেলে শেষ চারে উঠে যাবে স্বাগতিক দল। বাংলাদেশেরও তেমনই প্রত্যাশা।

গত মাসে সাফ ফুটবল বড় একটা শিক্ষা দিয়েছে বাংলাদেশকে। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালের পথে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছিল লাল-সবুজ দল। কিন্তু গ্রুপের শেষ ম্যাচে নেপালের কাছে হেরে গোল গড়ের মারপ্যাঁচে বিদায় নিতে হয় ভগ্ন হৃদয়ে। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে তাই সবাই ভীষণ সতর্ক।

আগামী শুক্রবার ফিলিপাইনের মুখোমুখি হওয়ার আগেই শেষ চার নিশ্চিত হতে পারে বাংলাদেশের। জেমি ডেকে সেমিফাইনাল নিয়ে প্রশ্ন করতে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বললেন, ‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য সেমিফাইনাল। বুধবার শেষ চার নিশ্চিত হয়ে গেলে তো ভালোই। সাফ ফুটবলে প্রথম দুই ম্যাচে জিতেও সেমিফাইনালে উঠতে পারিনি। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে তেমন হতাশায় পুড়তে চাই না।’

স্থানীয় সহকারী কোচ মাসুদ পারভেজ কায়সার সেমিফাইনালে খেলার সম্ভাবনায় এখনই উত্তেজিত, ‘সাফ ফুটবলে সেমিফাইনালে যেতে না পারার আক্ষেপ এখনও তাড়া করে আমাদের। সিলেটে যেন কোনও ভুল না হয়। আমরা চাই লাওস হেরে যাক, ফিলিপাইন জিতুক। তাহলেই আমাদের সেমিফাইনাল নিশ্চিত।’

মিডফিল্ডার মাশুক মিয়া জনিও লাওসের ব্যর্থতা কামনা করছেন, ‘বুধবারের ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকলেও গ্রুপের শেষ ম্যাচে ফিলিপাইনকে হারাতে চাই। এবার কিছুতেই ভুল করা যাবে না, সেমিফাইনালে যেতেই হবে।’