আগামী শুক্রবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ স্বাগতিক ভুটানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। তার আগে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ভারত খেলবে ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপ নেপালকে।
ষষ্ঠ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। কৃষ্ণা রানী সরকারের বাড়িয়ে দেওয়া বল ধরে ডিবক্সে ঢুকেছিলেন সিরাত জাহান স্বপ্না। কিন্তু পায়ে ঠিকমতো বল রাখতে পারেননি পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭ গোল করা এই ফরোয়ার্ড। নেপালি গোলরক্ষক অঞ্জনা রানা মাগার প্রতিহত করেন তাকে।
কর্নার কিক ধরে ১৫ মিনিটে নেপাল বল বিপদমুক্ত করলে ডিফেন্ডার শামসুন্নাহার পায়ে পান। বেশ লম্বা শট নেন তিনি বক্সের বাইরে থেকে। যদিও সহজেই শটটি লুফে নেন মাগার। তবে পরের মিনিটে বাংলাদেশি প্রান্ত থেকে শামসুন্নাহারের লম্বা ক্রস ধরে একা নেপালি গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে ১-০ করেন স্বপ্না। ৩০ মিনিটে এই ১০ নম্বর জার্সিধারী আবারও সুযোগ তৈরি করেছিলেন। কিন্তু বক্সে তিনি ঢোকার আগেই বল বাইরে পাঠান নেপালি গোলরক্ষক।
৩২ মিনিটে নেপালের গোলমুখে নেওয়া শট সহজে হাত দিয়ে ধরেন বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপনা চাকমা। তারপরই নেপালের প্রান্তে গোল কিক নেন। কৃষ্ণা কোনও রকম বাধা ছাড়াই ডিবক্সে ঢুকে পড়েন। মাগারকে এগিয়ে আসতে দেখে বাংলাদেশি ফরোয়ার্ড বল তুলে মারেন তার মাথার উপর দিয়ে, তাতে দ্বিতীয়বার নেপালের জালে জড়ায় বল।
৪০ মিনিটে কৃষ্ণা পেনাল্টি আদায় করেন। কিন্তু তৃতীয় গোল এনে দিতে পারেননি শামসুন্নাহার, এই ডিফেন্ডারের ডান পায়ের মাটি গড়ানো শট গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে ৫২ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে মারিয়া মান্ডার উঁচু শট রুখে দেন নেপালি গোলরক্ষক। ৬০ মিনিটে গোলমুখের সামনে থেকে লক্ষ্যের বাইরে শট নেন মিসরাত জাহান মৌসুমী। গোলের দেখা পেতে নেপাল এরপর বক্সের বাইরে থেকে লম্বা শট নেওয়ায় মনোযোগ দেয়। যদিও ৬২ থেকে ৬৬ মিনিট পর্যন্ত নিশা ঠোকার, সারি লিম্বু ও পুজা রানার তিনটি শট রুখে দেন বাংলাদেশি গোলরক্ষক রুপনা। এমন আক্রমণের সুযোগ নিয়ে নেপাল প্রথমবার লক্ষ্যে শট নেয় ৭০ মিনিটে। কিন্তু রেশমি কুমারী সিসিংয়ের ডান পায়ের জোরালো শট ঠাণ্ডা মাথায় রুখে দেন রুপনা।
সিসিংয়ের লক্ষ্যভেদী শটে ইনজুরি সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে একটি গোল শোধ দেয় নেপাল। কিন্তু হার এড়াতে পারেনি তারা।