গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগের দিন সংবাদ মাধ্যমকে জামাল বলেছেন, ‘কাল আমাদের খুবই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। ফিলিস্তিন আমাদের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও এটা আমাদের মাঠ। আমরা নিজেদের সেরাটা দিয়ে লড়াইয়ের চেষ্টা করবো।’
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন স্টেডিয়ামের মাঠ ঠিক ফুটবল উপযোগী না হলেও ভালো খেলতে আশাবাদী বাংলাদেশ অধিনায়ক, ‘আমরা এমন মাঠে খেলতে অভ্যস্ত। বৃষ্টি হলে অবশ্য মাঠের চেহারা পাল্টে যেতে পারে। রোদ থাকলেই আমাদের জন্য ভালো। মনে হয় না ফিলিস্তিন গরমের মধ্যে খেলতে অভ্যস্ত।’
ফিফা র্যাংকিংয়ে ফিলিস্তিনের অবস্থান ১০০, আর বাংলাদেশের ১৯৩। প্রতিপক্ষ নিয়ে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডারের বিশ্লেষণ, ‘ফিলিস্তিন যেন সেট পিসে গোল করতে না পেরে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। নেপালের বিপক্ষে সেট পিসে ভালো করেছে ওরা। ওদের হেডিং ভালো, ওরা শারীরিকভাবেও এগিয়ে। ওদের আক্রমণ ঠেকাতে আমাদের সব ধরনের কৌশল ব্যবহার করতে হবে।’
সেমিফাইনালে চাপমুক্ত হয়ে খেলার কথা জানিয়ে জামাল বলেছেন, ‘সেমিফাইনালে আমরা আন্ডারডগ, আর আন্ডারডগ হিসেবে খেললে এমনিতেই চাপ কমে যায়। ফিলিস্তিন ৭০/৮০ মিনিট গোল করতে না পারলে আমরা পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করার চেষ্টা করবো।’
বাংলাদেশের গোল স্কোরিং সমস্যা নিয়ে অবশ্য যথারীতি দুশ্চিন্তায় অধিনায়ক, ‘ফিলিপাইনের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে আমরা তিন/চারটা ভালো সুযোগ পেলেও গোল করতে পারিনি। এটা আমাদের অনেক পুরোনো সমস্যা। বাংলাদেশ ১০/১৫ বছর ধরে এই সমস্যায় ভুগছে।’