‘সি’ গ্রুপ থেকে ঢাকা আবাহনীকে সঙ্গে নিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নিল শেখ রাসেল। আগের ম্যাচে আবাহনীর কাছে একমাত্র গোলে হেরেছিল মুক্তিযোদ্ধা।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যেতে পারতো শেখ রাসেল। সতীর্থের বাড়ানো বল বক্সের মধ্যে পেলেও শট নিতে পারেননি মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান।
২৪ মিনিটে সুযোগ নষ্ট করে মুক্তিযোদ্ধা। বাঁ দিক থেকে আইভরি কোস্টের ফরোয়ার্ড বাল্লো ফামোসার বাড়ানো বল বক্সের ভেতরে থাকা জাপানি মিডফিল্ডার ইয়োসুকে কাতোর শট গোলকিপার শেষ মুহূর্তে ফিস্ট করে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন।
বিরতির পর শেখ রাসেল আক্রমণ বাড়িয়ে দুটি গোল আদায় করে নেয়। তার আগে ৫৭ মিনিটে শেখ রাসেলের নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড ওদোইনের শট ক্রসবারের একটু ওপর দিয়ে যায়।
৭০ মিনিটে অবশেষে গোল পায় শেখ রাসেল। প্রতি আক্রমণ থেকে ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড রাফায়েলের লম্বা করে বাড়ানো বল ধরে গোলকিপারকে হারিয়ে দেন ওদোইন।
ইনজুরি সময়ে ওদোইনের পাসে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড সিলভার শট জালে জড়ালে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।
জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করে খুশি শেখ রাসেলের কোচ সাইফুল বারী টিটু, ‘প্রথম ম্যাচে দল জিতেছে। এতে আমি খুশি। তবে দলের পারফরম্যান্স আরও ভালো হওয়া উচিত ছিল।’
টানা দুই ম্যাচ হেরে ফেডারেশন কাপ থেকে বিদায় নেয়া মুক্তিযোদ্ধার কোচ আব্দুল কাইয়ুম সেন্টুর ব্যাখ্যা, ‘আমরা বিদায় নিলেও ভালো খেলার চেষ্টা করেছি। মনে করেছিলাম ড্র করতে পারবো। তাহলে হয়তো পরের ম্যাচে আশা থাকবে। কিন্তু হেরে সবকিছু শেষ হয়ে গেল। এখন লিগের প্রস্তুতি নিতে হবে।’