বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ‘এ’ গ্রুপ থেকে আগেই শেষ আট নিশ্চিত করে মুখোমুখি হয়েছিল আরামবাগ ও চট্টগ্রাম আবাহনী। এদিন তাদের লড়াই ছিল গ্রুপ সেরা হওয়ার। নির্ধারিত সময়ের খেলা ২-২ গোলে শেষ হওয়ায় পয়েন্ট ও গোলব্যবধান সমান ছিল তাদের। তাই গ্রুপের শীর্ষস্থান নির্ধারণে টাইব্রেকারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
দুই দলই তাদের প্রথম ম্যাচে রহমতগঞ্জকে ৩-১ গোলে হারায়। এক ম্যাচে সমান ৪ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ম্যাচ খেলতে নামে আরামবাগ ও চট্টগ্রাম আবাহনী।
উজবেক ইকবাল নরমাতোভিচ, রাজন মিয়া, রবিউল হাসান ও নাইজেরিয়ান কিংসলে চুকবুদি আরামবাগের হয়ে টাইব্রেকারে গোল করেন। আর কেস্তো কুমার বোস ও কিরগিজ দানিয়েল নিল আরমাহ টাগো পরাস্ত করেন আরামবাগ গোলরক্ষককে।
স্বাধীনতা কাপ চ্যাম্পিয়ন আরামবাগ শেষ আটে লড়বে ‘সি’ গ্রুপের রানার্সআপ শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র কিংবা আবাহনী লিমিটেডকে। আর গতবারের রানার্সআপ চট্টগ্রাম আবাহনী লড়বে ‘সি’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়নকে।
শুরুতে দাপট ছিল চট্টগ্রাম ক্লাবের। অষ্টম মিনিটে লিড নেয় তারা। মিডফিল্ডার আরমাহ টাগো মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে নাইজেরিয়ান আওয়ালা মাগালানকে বক্সের মধ্যে পাঠান। আরামবাগের গোলরক্ষক মাজহারুল ইসলাম হিমেল তাকে আটকাতে সামনে এগিয়ে যান। কিন্তু এর আগেই মাগালান তার মাথার উপর দিয়ে বল জালে জড়ান।
দুই মিনিট পর আরামবাগ সুযোগ নষ্ট করে। নরমাতোভিচের হেড কাছের পোস্ট ঘেষে মাঠের বাইরে চলে যায়। ৩৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন চট্টগ্রাম আবাহনী। বাঁপায়ের শটে কাছের পোস্ট দিয়ে ২-০ করেন গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড মোমোদো বাহ।
৪০ মিনিটের মধ্যে দুই গোলে এগিয়ে গিয়েও নিরাপদে থাকতে পারেনি আবাহনী। আক্রমণে আসা জাহিদকে রুখতে গিয়ে নিজেদের বক্সে ফাউল করে তারা। তাতে পেনাল্টি থেকে গোল করেন নরমাতোভিচ। খেলা শেষ হওয়ার ৫ মিনিট আগে দর্শনীয় ভলিতে আরামবাগকে সমতায় ফেরান শাহরিয়ার বাপ্পী।