চার নম্বর গ্রুপে ৪ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে পরের পর্বে ইংল্যান্ড। আর ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ লিগে নেমে গেছে ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচটি ড্র হলেই নকআউটে উঠত স্পেন, কিন্তু কেনের জয়সূচক গোলে কপাল পুড়ল তাদের। ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের দ্বিতীয় দল তারা।
ওয়েম্বলিতে ফাইনালসে ওঠার লড়াইয়ের প্রথমার্ধ একাই সামাল দেন লভরেন কালিনিচ। রহিম স্টারলিং ও কেনকে সুবিধা করতে দেননি ক্রোয়েট গোলরক্ষক। ১২ মিনিটে কেনের লম্বা পাসে স্টারলিং ডান দিক দিয়ে আক্রমণে যান। লক্ষ্যে নেওয়া তার শট কালিনিচ ঠেকালে কর্নার পায় ইংল্যান্ড। কর্নার থেকে জন স্টোনসের হেড গোলপোস্টের খুব কাছে পেয়েও কেন বল ঠেলে দিতে পারেননি জালে।
চার মিনিট পর সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও গোলমুখ খুলতে পারেনি ইংল্যান্ড। স্টারলিংকে এগিয়ে আসতে দেখে বক্সের প্রান্তে কাঁধ দিয়ে বল বিপদমুক্ত করেন কালিনিচ। কিন্তু বল পেয়ে ফাঁকা গোলপোস্টের দিকে শট নেন কেন। বল লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগেই দারুণ হেডে ব্লক করেন জেদভাজ। কেনের দ্বিতীয় প্রচেষ্টা এরপর ঠেকিয়ে দেন কালিনিচ।
২৫ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে বেন চিলওয়েলের শক্তিশালী শট রুখে দেন ক্রোয়েট গোলরক্ষক। বিরতির ৫ মিনিট আগে রস বার্কলের আড়াআড়ি শট গোলবারের পাশে লাগে।
৭৮ মিনিটে জো গোমেজের লম্বা থ্রোয়ে এলোমেলো হয়ে পড়ে ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্স। স্টোনসের হেড আবার বল পায়ে পান কেন, আলতো ছোঁয়ায় বল জালে জড়াতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কালিনিচের পায়ের নিচ দিয়ে বল চলে যায় জেসি লিনগার্ডের কাছে। ফ্যাবিয়ান ডেলফের বদলি নামা এই ম্যানইউ তারকা পায়ের টোকায় লক্ষ্যভেদ করে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান।
ক্রোয়েশিয়া তিন মিনিট পর এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু ভিদার হেড গোললাইনে দাঁড়িয়ে ব্লক করেন লিনগার্ড, এরপর ব্রেকালোর ফিরতি শট রুখে দেন পিকফোর্ড।
প্রথমার্ধে গোলপোস্টের নিচে দারুণ পারফরম্যান্স করা কালিনিচ শেষ দিকে আরও একবার ব্যর্থ হন। ৮৫ মিনিটে জেদভাজের ফাউলের শিকার হয়ে চিলওয়েল ফ্রি কিক নেন। তার নিখুঁত শট ডিবক্সের মাঝে পেয়ে যান কেন, তারপর হালকা ছোঁয়ায় বল জালে ঠেলে দেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক। তাতেই বিজয়ের আনন্দে মাতে স্বাগতিকরা। ইএসপিএনএফসি