শেখ রাসেলের কোচ সাইফুল বারী টিটু সবার আগে মেতে উঠলেন শিষ্যদের প্রশংসায়, ‘টুর্নামেন্টে আমাদের শুরুটা তেমন ভালো ছিল না। আমরা কঠিন একটা গ্রুপে পড়েছিলাম। তাতে অবশ্য একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে। প্রতি ম্যাচে আমাদের পারফরম্যান্সের উন্নতি হয়েছে। সেজন্য সব কৃতিত্ব ছেলেদের। তবে শুধু ফাইনালে উঠলেই হবে না, জিততেও হবে।’
গত ২৪ নভেম্বর সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন শেখ রাসেলের মিডফিল্ডার সোহেল রানার স্ত্রী ও শিশু সন্তান। ওই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সোহেল নিজেও আহত হয়েছিলেন। ফাইনালের ঠিক আগে দলে যোগ দিয়েছেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে ফিরে পেয়ে টিটু অনুপ্রাণিত, ‘স্বাধীনতা কাপ শুরু হওয়ার ঠিক আগে সোহেল রানা সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী-সন্তানকে হারিয়েছে। দুদিন আগে সে ক্যাম্পে যোগ দিয়েছে। সোহেলকে পেয়ে আমরা উজ্জীবিত।’
বিদেশি কোচ-খেলোয়াড় নিয়ে ঢাকার ফুটবলের নতুন শক্তি বসুন্ধরা কিংস। ফাইনালের প্রতিপক্ষ নিয়ে শেখ রাসেল কোচের মূল্যায়ন, ‘বসুন্ধরার মতো কঠিন প্রতিপক্ষের সঙ্গে ম্যাচ চলার সময় মনোযোগ ধরে রাখতে হবে। ম্যাচ থেকে মন উঠে গেলে চলবে না। ওদের কোচ ব্রুজন যখন মালদ্বীপের নিউ রেডিয়েন্টের দায়িত্বে ছিলেন, তখন থেকেই তাকে চিনি। ফাইনালে যে দল ভুল কম করবে, তারাই জিতবে।’
মৌসুমের প্রথম টুর্নামেন্ট ফেডারেশন কাপের ফাইনালে উঠলেও শেষ হাসি হাসতে পারেনি বসুন্ধরা, হেরে যায় ঢাকা আবাহনীর কাছে। দ্বিতীয় টুর্নামেন্ট হাতছাড়া করতে রাজি নয় তারা। দলটির স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজন বলেছেন, ‘ফাইনালে ওঠা শুধু চাপ নয়, সন্তুষ্টিরও। আমরা উন্নতির পথেই রয়েছি। ফাইনালে আমরা নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে চাই, শিরোপা উদযাপন করতে চাই। ছেলেরা শিরোপা জিততে মুখিয়ে আছে।’
যদিও শিরোপা লড়াইয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের শঙ্কা তার মনে, ‘শেখ রাসেল খুব শক্তিশালী দল। ওদের ডিফেন্স জমাট, মাঝমাঠ গোছালো, আক্রমণভাগও ভালো। তবে আমরা প্রতিপক্ষ নয়, নিজেদের খেলা নিয়েই বেশি ভাবছি।’