পিএসজি কোচ থোমাস টুখেল জানান, চোটের পরপর হাসপাতালে নেওয়া হয় নেইমারকে। আবারও সেই চোট ফিরে এসেছে, যার জন্য গত বিশ্বকাপের আগে অস্ত্রোপচার করাতে হয়েছিল ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডকে।
সবশেষ চোট নেইমার কেমন করে পেলেন সেটা অস্পষ্ট। মনে করা হচ্ছে, ম্যাচের শুরুতে প্রতিপক্ষ মিডফিল্ডার অ্যান্থনি গনকালভেসের কড়া ট্যাকল এর জন্য দায়ী। ওই ট্যাকলের পর প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে মাঠে ফেরেন নেইমার। কিন্তু ম্যাচের এক ঘণ্টা যেতে বল পায়ে নেওয়ার পরই টুখেলের দিকে হাত ইশারায় তার ব্যথার কথা জানান। অবশ্য নিজেই খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ থেকে বের হয়ে যান তিনি। ড্রেসিংরুমের দিকে যাওয়ার সময় তাকে কাঁদতে দেখা গেছে।
ম্যাচ শেষে পিএসজি কোচ বলেছেন, ‘নেইমার খুব চিন্তিত। কারণ সেই একই পায়ে চোটটা পেয়েছে, ডান পায়ের একই জায়গায়। এই মুহূর্তে নতুন কোনও খবর নেই। তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আমরা চিকিৎসকের কাছে খবর শোনার অপেক্ষায়।’
৬২ মিনিটে নেইমার মাঠ ছাড়ার আগেই পিএসজি ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল। মাত্র ৪ মিনিটে এদিনসন কাভানি গোল করেন। এরপর ম্যাচের ১০ মিনিট বাকি থাকতে ব্যাকপোস্টে বাড়ানো হুলিয়ান ড্রাক্সলারের ক্রস থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আনহেল দি মারিয়া। গোল ডটকম, ইএসপিএনএফসি