বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ১২ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারতো চট্টগ্রাম আবাহনী। মিডফিল্ডার মোনায়েম খান রাজুর বাঁ পায়ের শট ক্রসবারে লেগে ফিরলে গোলবঞ্চিত হয় তারা। ২৪ মিনিটে নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড মাগালান আওয়ালার ফ্রি-কিক ফিরিয়ে দেন বিজেএমসি গোলরক্ষক সোহাগ হোসেন।
ম্যাচ আধঘণ্টা পার হতেই প্রথম সুযোগ পায় বিজেএমসি। উজবেকিস্তানের মিডফিল্ডার ওতাবেকের জোরালো শট সাইড বারের অনেক দূর দিয়ে যায়। ইনজুরি সময়ে তার আরও একটি শট একইভাবে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
বিরতির পর দুই দল আক্রমণ পাল্টা আক্রমণে গেলেও গোল হয়নি। ৬৬ মিনিটে চট্টগ্রাম আবাহনীর ফরোয়ার্ড সোহেল মিয়ার শট রুখে দেন সোহাগ। ৫ মিনিট পর বিজেএমসির ফরোয়ার্ড আলী আকবর কাননের কর্নার সরাসরি জালে ঢোকার আগ মুহূর্তে গোলকিপার মোহাম্মদ নেহাল মাঠের বাইরে বল পাঠান।
রহমতগঞ্জের সঙ্গে আগের ম্যাচ হয়েছিল ১-১ গোলে ড্র। এবারের ড্রয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণাত্মক খেলার সমালোচনা করেন চট্টগ্রাম আবাহনী কোচ জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু, ‘প্রতিপক্ষ পাঁচজন ডিফেন্ডার নিয়ে খেলেছে। এভাবে কেউ খেললে গোলের সুযোগ কম আসবে। আমার খেলোয়াড়রা একাধিক গোলের সুযোগ পেলেও গোল করতে পারেনি। এভাবে খেললে তো ম্যাচ জেতা কঠিন।’
বিজেএমসির কোচ জাহিদুর রহমান মিলন অসুস্থ। টানা দুটি ম্যাচ হারের পর এক পয়েন্ট আদায় করে খুশি দলের ম্যানেজার আরিফুল হক লিওন, ‘আমরা পয়েন্টের দেখা পেয়েছি, এতেই খুশি। তাছাড়া ড্র করার মানসিকতা নিয়েই আমরা মাঠে নেমেছিলাম।’