পেনাল্টিতে র‌্যাশফোর্ডকে নিয়ে সংশয় ছিল ম্যানইউ কোচের!

জয়ের নায়ক র‌্যাশফোর্ডের সঙ্গে সুলশারের উল্লাসইনজুরি সময়ের চতুর্থ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন মার্কাস র‌্যাশফোর্ড। কিন্তু স্পট কিক নেওয়ার আগে তার ওপর খুব একটা ভরসা পাচ্ছিলেন না ম্যানইউ কোচ।

পিএসজির ভক্তরা যখন কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার আনন্দে মাতার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই একটি পেনাল্টির সিদ্ধান্তে ঘুরে যায় লড়াইয়ের মোড়। ঘাড়ে ভর করা রাজ্যের সব চাপ ঝেড়ে ফেলে অবিস্মরণীয় গোল করেন র‌্যাশফোর্ড, সবাইকে চমকে দিয়ে ম্যানইউকে ঠাঁই করে দেন কোয়ার্টার ফাইনালে। প্রতিপক্ষের মাঠে এমন চাপ কাটিয়ে তার গোলে মুগ্ধ উলা গুনার সুলশার।

পিএসজির বক্সে প্রেসনেল কিমপেম্বের হ্যান্ডবল খুলে দেয় ম্যানইউর কপাল। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি প্রযুক্তির ব্যবহারে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন ম্যাচ রেফারি। ২১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ডের ওপর ভার পড়ে গোল করার দায়িত্ব। ডাগআউটে সুলশারের বুক দুরুদুরু কাঁপলেও নির্ভার ছিলেন র‌্যাশফোর্ড।

ওই মুহূর্তের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সুলশার বলেছেন, ‘পেনাল্টি নিয়ে সবসময় সংশয় থাকে। চ্যাম্পিয়নস লিগে বাসেলের বিপক্ষে আমি ছিলাম মোলদের সঙ্গে, আমার খেলোয়াড়রা সেটা মিস করলো এবং আমরা ছিটকে গেলাম।’

তবে র‌্যাশফোর্ডের এই চাপ সামাল দেওয়ায় মুগ্ধ নরওয়েজিয়ান কোচ, ‘র‌্যাশফোর্ড ২১ বছরের, ছেলেটার ওপর অনেক চাপ ছিল। কিন্তু তার মধ্যে কোনও উদ্বেগ ছিল না, সাহসী ছেলে সে। তার ও রোমেলুর (লুকাকু) জন্য অসাধারণ রাত ছিল।’

নকআউটে ঘরের মাঠে দুই গোলে প্রথম লেগ হেরেও দ্বিতীয় লেগে জিতে পরের পর্বে যেতে পারেনি কোনও দল। সেই বৃত্ত ভাঙলো ম্যানইউ। রোমাঞ্চিত সুলশার বলেছেন, ‘এটাই চ্যাম্পিয়নস লিগ। গত রাতে রিয়াল ও আয়াক্সের ম্যাচ নিয়ে আমরা কথা বলছিলাম। আমরা ম্যানইউ, আমরাও পারি। মানসিক অনিশ্চয়তা ছিল সবসময়। আমাদের ছেলেরা তরুণ ও প্রাণোচ্ছ্বল যেটা গোল করার সময় উজ্জীবিত করেছে।’ গোল ডটকম