আমি ও রোনালদো কেউই হারতে চাই না: মেসি

রোনালদো-মেসিফিফার শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধার করেছেন লিওনেল মেসি। সোমবার ২০১৯ সালের ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কার জিতেছেন আর্জেন্টাইন তারকা। ব্যক্তিগত পুরস্কারে আবারও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে পেছনে ফেলেছেন তিনি। যদিও ফুটবলের এই দ্বৈরথ ব্যক্তিগত জীবনে মোটেও প্রভাব ফেলে না বলে জানিয়েছেন বার্সেলোনা অধিনায়ক।

গত এক যুগ ধরে ফুটবলের ব্যক্তিগত লড়াই হয়ে আসছে মেসি-রোনালদোর। গত বছর লুকা মদরিচ তাদের সাম্রাজ্যে হানা দিলেও এবার ফিফার সিংহাসন পুনরুদ্ধার করেছেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। ট্রফি কেসে আরেকটি প্রাপ্তি যোগ করে সাফল্যের গল্পে সমীহ করেছেন রোনালদোকে। তার মতে, রোনালদো ও তিনি কেউই হারতে পছন্দ করেন না।

ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি ব্যক্তিগত দ্বৈরথ নিয়ে বলেছেন, ‘গত কয়েক বছর ফুটবল আমাদের দ্বৈরথ তৈরি করেছে। কারণ হতে পারে, আমাদের একজন বার্সেলোনায় এবং অন্যজন (রোনালদো) রিয়াল মাদ্রিদে খেলেছে বলে। আমরা দুজনই ব্যক্তিগত পুরস্কার জিতছি বলেও দ্বৈরথটা হতে পারে। লোকজন মনে করে, এই দ্বৈরথটা হয়তো ফুটবলের বাইরে ব্যক্তিগত জীবনেও আছে, কিন্তু আসলে তা নয়।’

রোনালদোর সঙ্গে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতা এত জমজমাট কেন? মেসির উত্তর, ‘আমরা দুজনই আমাদের দলের সেরাটা চাই। আর দুজনের কেউই হারতে চাই না। বিষয়টা হলো এমন, আমরা এটা (হার) মানতে পারি না। এই কারণেই আমাদের মধ্যে এত প্রতিদ্বন্দ্বিতা।’

মাত্র ১৬ বছর বয়সে ফুটবল বিশ্বের নজরে পড়ে গেছেন আনসু ফাতি। বার্সেলোনার এই তরুণ ফুটবলার মূল দলে সুযোগ পেয়েই আলো ছড়িয়েছেন। দলের নতুন সদস্যের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ মেসিও। বার্সেলোনার কাছে এই ফরোয়ার্ডের চাওয়া, তাকে যেভাবে বড় করে তুলেছে বার্সেলোনা, সেই যত্নটাই যেন নেওয়া হয় ফাতির।

মেসির বক্তব্য, ‘ফাতিকে আমার খুব ভালো লাগে। আমি ওকে সাহায্য করার চেষ্টা করি। বার্সেলোনার কাছে আমার চাওয়া তারা যেন ফাতিকে ধীরে ধীরে বের করে নিয়ে আসে, যেমনটা আমার সঙ্গে তারা করেছিল। একটু একটু করে, শান্ত ও চাপহীনভাবে সবকিছু করা। আমাদের ভুললে চলবে না তার বয়স মাত্র ১৬।’ গোল ডটকম, মার্কা