দুইবার পিছিয়ে পড়ার পর সমতা ফিরিয়ে লিভারপুলকে ম্যাচে বাঁচিয়ে রাখেন ডিভোক ওরিগি। তার ৯৪তম মিনিটের লক্ষ্যভেদে নির্ধারিত সময় শেষ হয় ৫-৫ গোলে। এরপর ম্যাচ সরাসরি টাইব্রেকারে গেলে দানি কেবায়োসের পেনাল্টি রুখে দিয়ে ৫-৪ গোলে জয় নিশ্চিত করেন লিভারপুলের ২০ বছর বয়সী গোলকিপার কাওইমহিন কেলেয়ার।
৭০ মিনিটে জো উইলকের দূরপাল্লার শটে বল জালে জড়ালে ৫-৪ গোলে এগিয়ে থেকে লিভারপুলের মাঠে স্মরণীয় জয়ের অপেক্ষায় ছিল আর্সেনাল। কিন্তু অ্যানফিল্ডে উত্তেজনা অপেক্ষা করছিল শেষ পর্যন্ত। শেষ মুহূর্তে ওরিগির চোখ ধাঁধানো গোলে কেঁপে ওঠে গ্যালারি। আর দর্শকরা বুনো উল্লাসে মেতে ওঠে কুর্তিস জোনসের শেষ পেনাল্টি গোলে। ৫টি শটের সবগুলো তারা জালে জড়ায়।
ম্যাচে লিভারপুল কেবল একবারই লিড নিয়েছিল, তাও আত্মঘাতী গোলে। পঞ্চম মিনিটে অ্যালেক্স ওক্সলেড চেম্বারলেইনের নিচু ক্রস বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজের জালে বল জড়ান শাখদোরান মুস্তাফি। মিডফিল্ডার মেসুত ওজিলের পাস থেকে বুকায়ো সাকার শট লিভারপুল গোলকিপার প্রতিহত করলে ফিরতি শটে ১-১ করেন লুকাস তোরেইরা।
দ্বিতীয়ার্ধে আবার গোল উৎসব শুরু হয় ৯ মিনিট পরই। মিলনার বলের দখল হারালে ওজিলের বানিয়ে দেওয়া বলে আইন্সলে মাইতলান্দ-নাইলসের গোলে ৪-২ করে আর্সেনাল। পরে ওক্সলেড চেম্বারলেইন ও ওরিগির চমৎকার লক্ষ্যভেদে ৪-৪ গোলে সমতা ফেরায় লিভারপুল। অদম্য স্বাগতিকদের আবার পেছনে ফেলেন উইলক, কিন্তু ওরিগির পঞ্চম গোলে জমে ওঠে নাটক। যার শেষ হয় পেনাল্টি শুটআউটে।
শেষ ষোলোর আরেক ম্যাচে চেলসিকে ২-১ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ২৫ মিনিটে মার্কাস র্যাশফোর্ডের পেনাল্টি গোলে এগিয়ে যায় তারা। ৬১ মিনিটে স্বাগতিক চেলসিকে সমতায় ফেরান মিচি বাতশুয়েই। র্যাশফোর্ড চোখ ধাঁধানো ফ্রি কিক গোলে ৭৩ মিনিটে করেন ইউনাইটেডের জয়সূচক গোল।
একই দিন ২-১ গোলে জিতে শেষ আটে উঠেছে অ্যাস্টন ভিলা। মঙ্গলবার কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছিল লিস্টার সিটি, কোলচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি, এভারটন ও ওক্সফোর্ড ইউনাইটেড। বৃহস্পতিবার হবে শেষ আটের ড্র।