আর্সেনালও শুনছিল অশনি সংকেত। যদিও তাদের রক্ষা করেছেন পিয়েরে-এমেরিক অবামেয়াং। গ্যাবন স্ট্রাইকারের লক্ষ্যভেদে বোর্নমাউথের মাঠ থেকে ১-১ গোলের ড্রতে আর্সেনালের কোচিং অধ্যায় শুরু করেছেন মিকেল আর্তেতা। প্রিমিয়ার লিগের আরেক নতুন কোচ কার্লো আনচেলত্তির এভারটন যাত্রাটা অবশ্য শুরু হয়েছে জয় দিয়ে। ঘরের মাঠে তারা ১-০ গোলে হারিয়েছে বার্নলিকে।
নিঃসন্দেহে বক্সিং ডেতে সবচেয়ে বড় অঘটন চেলসির হার। বড়দিনের আগে টটেনহামকে তাদেরই মাঠে হারিয়ে আগাম উৎসব করেছিল ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের দল। কিন্তু চার দিন পরই হজম করতে হলো বড় ধাক্কা। ঘরের মাঠ স্টামফোর্ড ব্রিজে ২-০ গোলে হেরে গেছে তারা সাউদাম্পটনের কাছে। ২০০৩ সালের পর প্রিমিয়ার লিগে প্রথমবার বক্সিং ডে ম্যাচ হারলো চেলসি।
৩১ মিনিটে সাউদাম্পটনকে এগিয়ে নেন মাইকেল ওবাফেমি। গোল শোধে মরিয়া চেলসি বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করলেও সফরকারীদের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ভাগ্যটাও সহায় হয়নি তাদের। সমতায় তো ফিরতে পারেইনি, উল্টো ৭৩ মিনিটে নাথান রেডমন্ড জাল খুঁজে পেলে ঘরের মাঠে টানা দ্বিতীয় হারের তিক্ততা পায় চেলসি। এর আগে বোর্নমাউথের কাছে হেরেছিল ১-০ গোলে।
হারলেও ১৯ ম্যাচ শেষে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থান ধরে রেখেছে ব্লুরা। অন্যদিকে সমান ম্যাচে ২১ পয়েন্ট নিয়ে ১৪ নম্বরে উঠে এসেছে সাউদাম্পটন।
আর্সেনালের কোচ হিসেবে প্রথমবার ডাগ আউটে দাঁড়িয়েছিলেন আর্তেতা। সাবেক ক্লাবে কোচ হিসেবে ফেরাটা অন্তত হার দিয়ে হয়নি তার অবামেয়াংয়ের সৌজন্যে। বোর্নমাউথের মাঠে ৩১ মিনিটে গানাররা পিছিয়ে পড়ে ড্যান গসলিংয়ের লক্ষ্যভেদে। ৬৩ মিনিট পর্যন্ত স্বাগতিকরা লিড ধরে রেখেছিল। কিন্তু অবামেয়াং চলতি প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে ১২তম গোলের দেখা পেলে ১ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারে আর্সেনাল।
আর্তেতার মতো প্রথমবার এভারটনের ডাগ আউটে দাঁড়িয়েছিলেন আনচেলত্তি। প্রিমিয়ার লিগে তার ফেরাটা অবশ্য হয়েছে জয় দিয়ে। গুডিসন পার্কের চরম উত্তেজনাকর লড়াইয়ে ৮০ মিনিটে স্বাগতিকদের জয় নিশ্চিত করেন ডমিনিক কালভার্ট-লেউইন।