বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে এগিয়ে ছিল বসুন্ধরা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে লিড ধরে রাখতে পারেনি অসংখ্য সুযোগ নষ্ট করা দলটি। তাতে নির্ধারিত সময় শেষে স্কোর ছিল ১-১। অতিরিক্ত সময়ের ৩০ মিনিটেও স্কোর পাল্টায়নি। পেনাল্টি শুটআউটে গোল দেওয়ায় ও ঠেকানোয় ছিল বসুন্ধরার রাজত্ব। চার শটের সবগুলো তারা জালে জড়ায়। গোল করেন বখতিয়ার দুইশবেকভ, নিকোলাস দেলমন্তে, দানিয়েল কোলিনদ্রেস ও আতিকুর রহমান ফাহাদ। মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে একমাত্র গোলটি করেন পল এমিল। জাপানের নোরিতো হাসিগুচি ও তরিকুল ইসলামের শট রুখে দেন জিকো।
বসুন্ধলা এগিয়ে যায় ৩ মিনিটে। মতিন মিয়ার পাসে লেবানিজ স্ট্রাইকার জালাল কদুহ বল প্লেসিং করে দেন জালে। এরপর ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের সুযোগ নষ্ট করতে থাকে দলটি। ১৭ মিনিটে কোলিনদ্রেসের পাসে গোলমুখের সামনে দাঁড়ানো মতিন মিয়া পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ হন। ম্যাচের আধঘণ্টা হওয়ার একটু আগে মাহবুবুর রহমান সুফিলের জোরালো শট গোলকিপার মাহফুজ হাসান প্রীতম ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকান।
মুক্তিযোদ্ধা ৩৬ মিনিটে গোল শোধ দেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু মিডফিল্ডার তারিকুল ইসলামের শট ফিস্ট করেন জিকো। অবশ্য তাদের আশা বেঁচে থাকে ৭৬ মিনিটের গোলে। মেহেদী হাসানের থ্রো-ইনে মেহেদী হাসান রয়েল বল পেয়ে আলতো টোকায় সমতা ফেরান।
খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে কর্নার থেকে পল এমিলের হেড গোলকিপার জিকো ঠেকালে স্বস্তিতে নির্ধারিত সময় পার করে বসুন্ধরা। অবশ্য ম্যাচ জিতেও অস্বস্তিতে তাদের স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজন, ‘এই মাঠে ভালো ফুটবল সম্ভব না। মাঠের অবস্থা খারাপ, গরু চড়ানো মাঠের মতো। তবে টাইব্রেকারে ম্যাচ গড়ানোর পর একটু আশা জেগেছিল, কারণ জিকোর প্রতি আমার আস্থা ছিল।’
এদিকে হেরেও সন্তুষ্ট মুক্তিযোদ্ধার কোচ আব্দুল কাইয়ুম সেন্টু, ‘দলের খেলোয়াড়দের খেলায় আমি সন্তুষ্ট। প্রতিপক্ষ বড় দল হলেও ছেলেদের ঘুরে দাঁড়ানোর মানসিকতা ভালো লেগেছে।’