২০১৪ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে পর্তুগালের রাজধানীতে অতিরিক্ত সময়ের গোলে মাদ্রিদ ডার্বি জিতেছিল রিয়াল। ১-১ গোলে ৯০ মিনিটের খেলা শেষে ৪-১ গোলে আতলেতিকোর হৃদয় ভাঙে তারা। দুই বছর পর ইতালির শহরে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে স্কোর ১-১ থাকার পর টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলে জেতে রিয়াল।
স্প্যানিশ কাপের ফাইনালেও দুই দল ছিল অপ্রতিরোধ্য। ম্যাচের ফল হলো পেনাল্টি শুটআউটে। কিন্তু টাইব্রেকারে ছন্দে থাকতে পারেনি আতলেতিকো। রিয়ালের পক্ষে দানি কারভাহাল ও রদ্রিগো প্রথম দুটি শটে গোল করেন। অন্যদিকে সাউল গোলপোস্টে বল মারলে ও থোমাস পার্টে সরাসরি থিবো কোর্তোয়ার হাতে বল তুলে দিলে ওখানেই থেমে যায় আতলেতিকো সব আশা। লুকা মদরিচের গোলের জবাবে ট্রিপিয়ার লক্ষ্যভেদ করেন। তবে চতুর্থ শটে সের্হিয়ো রামোস গোল করলে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়ে যায়।
ম্যাচের মোড় ঘুরে যেতে পারতো ১১৫ মিনিটে। তাতে হারের জন্য আতলেতিকো দায়ী করতে পারে ফেডেরিকো ভালভার্দেকে। রিয়ালের গোলমুখে শট নেওয়ার আগে আলভারো মোরাতাকে ফাউল করেন এ মিডফিল্ডার। ৪ মিনিটের ব্যবধানে দুটি হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ভালভার্দে। অতিরিক্ত সময়ের শেষ ৫ মিনিট ১০ জন নিয়ে অস্বস্তিতে থাকলেও ম্যাচ শেষে তাকে ধন্যবাদ জানাতেই পারে রিয়াল।
রিয়াল ৬৭ মিনিটে গোলের সুবর্ণ সুযোগ নষ্ট করে। ইয়োভিচের ক্রসে ফেডেরিকো ভালভার্দের হেড নিজের হাঁটুতে লাগে। ৭৯ মিনিটে দারুণ দক্ষতায় আলভারো মোরাতাকে ব্যর্থ করেন গোলকিপার থিবো কোর্তোয়া। ৮৮ মিনিটে টনি ক্রুসের ফ্রি-কিক ঠেকান ওবলাক।
যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে রদ্রিগোর শট সহজে ধরেন ওবলাক। কোনও দলই গোল করতে ব্যর্থ হলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এই বাড়তি আধঘণ্টা সময়েও উদযাপনের মুহূর্ত বের করতে পারেনি মাদ্রিদের দুই ক্লাব।
তবে টাইব্রেকারে পুরোপুরি দাপট দেখিয়ে ২০১৭ সালের পর আরেকটি সুপার কাপ ট্রফি ঘরে তুললো জিনেদিন জিদানের ফুটবলাররা। গত মৌসুমের না পাওয়ার বেদনাও ঘুচলো তাতে।