ফ্রান্স ফুটবলের দশকসেরা পিএসজি দলে নেই নেইমার

নেইমারঅর্থের কমতি নেই প্যারিস সেন্ত জার্মেইয়ের। ওদিকে নেইমারও যেতে প্রস্তুত। দুই পক্ষের সমঝোতার পর বার্সেলোনার ২২২ মিলিয়ন ইউরোর বাইআউট ক্লজ মিলিয়ে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড পাড়ি জমালেন প্যারিসে। উদ্দেশ্য, মেসির ছায়া থেকে বেরিয়ে ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের পতাকা ওড়ানো। কিন্তু হায়, যে ব্যালন ডি’অরের স্বপ্ন নিয়ে পিএসজিতে গেছেন, পুরস্কারটির আয়োজক ফ্রান্স ফুটবল গতবারের সংস্করণের সেরা ত্রিশেও রাখেনি তাকে! এবার তো ফরাসি ম্যাগাজিনটি পিএসজির দশকসেরা একাদশেও রাখলো না নেইমারকে!

ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের পরে স্থায়ী চুক্তিতে পিএসজিতে যোগ দেওয়া কিলিয়ান এমবাপ্পে আছেন, অথচ তাকে রাখেনি ফ্রান্স ফুটবল। ২০১৯ সালের ব্যালন ডি’অরের সংক্ষিপ্ত তালিকায় নেইমারকে না রাখার কারণ ব্যাখ্যায় ফরাসি ম্যাগাজিনটি সামনে এনেছিল তার চোট ও মাঠের বাইরের বিতর্ক। পিএসজির দশকসেরা একাদশে সাবেক বার্সেলোনা তারকার না থাকার কারণও একই।

গত দশকে ফ্রান্সের সেরা ক্লাব নিঃসন্দেহে পিএসজি। ২০১০ থেকে ২০১৯ সালে ছয়বার লিগ ওয়ান জিতেছে তারা। ২০১২ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত জিতেছে টানা চার লিগ শিরোপা। প্যারিসের এই ক্লাবই শুধু নয়, গোটা ফুটবল বিশ্বেই দলবদলে সবচেয়ে আলোচিত চরিত্র নেইমার। ২০১৭ সালে বার্সেলোনা থেকে রেকর্ড ট্রান্সফারে তার পিএসজিতে যোগ দেওয়া।

বিশ্বের সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হয়েও নেইমারের পিএসজির দশকসেরা দলে না থাকাটা বিস্ময়কর। ফ্রান্স ফুটবল কারণ ব্যাখ্যা করেছে। নেইমারের মান ও দক্ষতা নিয়ে তাদের কোনও প্রশ্ন নেই। তবে যুক্তির ঢাল ওই মাঠের বাইরে থাকা, ‘দক্ষতা কিংবা সামর্থ্যের বিচারে তাকে বাইরে রাখা হয়নি। কারণটা হলো চোট ও (বাইরের) অন্য বিষয়। মৌসুমের শেষ দিকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে তাকে পায়নি দল।’

ফ্রান্স ফুটবলের গড়া ৩-৪-৩ ছকের দলটির গোলবারের নিচে সাবেক গোলকিপার সালভাতোর সিরিগু। ইতালিয়ান স্টপার ২০১১ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত পিএসজির জার্সিতে খেলেছেন ১৯০ ম্যাচ। রক্ষণের পুরোটাই ব্রাজিলিয়ানদের দখলে। রয়েছেন অধিনায়ক থিয়াগো সিলভা, মারকিনিয়োস ও ম্যাক্সওয়েল। মাঝমাঠে মার্কো ভেরাত্তি, থিয়াগো মোত্তা ও ব্লাইস মাতুইদির ঠিক ওপরে আক্রমণে আছেন আনহেল দি মারিয়া।

আক্রমণভাগে এমবাপ্পে ও এডিনসন কাভানির সঙ্গে জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ। তাদের সঙ্গে জায়গা হয়নি নেইমারের।