১৩ গোল খেয়েও প্রাপ্তি আছে চা-বাগানের ফুটবলারদের

বসুন্ধরাকে থামাতে পারেনি সিলেটের দলটিমেয়েদের ফুটবল লিগে ধারে-ভারে বসুন্ধরা কিংস অন্য দলগুলোর চেয়ে অনেক এগিয়ে। শুরুর ম্যাচে বেগম আনোয়ারা স্পোর্টিং ক্লাবকে ১২-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল সাবিনা-কৃষ্ণারা। রবিবার দ্বিতীয় ম্যাচে আগের গোলসংখ্যা ছাড়িয়ে গেল বসুন্ধরা। স্পার্টান এমকে গ্যালাকটিকো সিলেট এফসির জালে দিলো ১৩ গোল! এই বড় জয়ে হ্যাটট্রিক করেছেন মিডফিল্ডার মনিকা চাকমা ও অধিনায়ক সাবিনা খাতুন।

কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে বসুন্ধরার সামনে পাত্তাই পায়নি সিলেটের দলটি। প্রতিপক্ষের অর্ধেই খেলেছে বিজয়ীরা। প্রথমার্ধে সাবিনারা ৬-০ গোলে এগিয়ে যান। ৫, ৭, ১৯, ২৩, ৪৪ ও ৪৫ মিনিটে গোল হয়েছে।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও ৭ গোল। ৫৭, ৬৭, ৭৩, ৭৬, ৭৯, ৮৪ ও ৮৭ মিনিটে সাত গোল খেয়েছে সিলেটের দলটি। মনিকা ও সাবিনা ছাড়াও গোল উৎসবে যোগ দেন কৃষ্ণা, শিউলি, তহুরা, আঁখি ও মারিয়া। এরমধ্যে ডিফেন্ডার আঁখি ও স্ট্রাইকার তহুরার পা থেকে এসেছে দুটি করে গোল।

টানা দ্বিতীয় জয়ে বসুন্ধরাই লিগে শীর্ষে। দলের কোচ মাহমুদা শরীফা বলেছেন, ‘আগের চেয়ে দল ভালো খেলেছে। সামনের ম্যাচগুলোতে আরও ভালো খেলার সুযোগ আছে।’

টানা দ্বিতীয় হার দেখলো স্পার্টান এমকে গ্যালাকটিকো সিলেট এফসি। আগের ম্যাচে তারা ১২ গোলে হেরেছে নাসরিন স্পোর্টসের কাছে।

সিলেটের দলটির একটি বড় অংশ চা বাগানে কাজ করে। কাজের ফাঁকে ফুটবল খেলেন সেজুতি-নাদিয়ারা। বসুন্ধরার মতো প্রস্তুতিও তাদের নেই। দলের ডিফেন্ডার দীপা মুন্ডার অকপট স্বীকারোক্তি, ‘বসুন্ধরার মতো বড় দলের বিপক্ষে খেলতে পারছি এটাই আমাদের কাছে বড় বিষয়। তারা তো সবাই জাতীয় দলে খেলে। আর আমরা অনেকেই চা-বাগানে কাজ করি। প্রস্তুতি এক মাসের। তাই খেলতে পারাটাই আমাদের কাছে বড়।’