হাইতির ফরোয়ার্ড কেরভেন্স বেলফোর্ট পেয়েছেন জোড়া গোল। নাবীব নেওয়াজ জীবন ও এডগার বার্নহার্ট গোল করেছেন একটি করে।
লিগে চার ম্যাচে আবাহনীর পয়েন্ট ১০। ছুঁয়ে ফেলেছে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা সাইফ স্পোর্টিংকে। চার ম্যাচ শেষে মোহামেডান আছে আগের ৬ পয়েন্ট নিয়েই।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের চিরায়ত ডার্বিতে মোহামেডানকে কোনও সুযোগই দেয়নি আবাহনী। মধ্যমাঠ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তারা উইং দিয়ে চালিয়েছে একের পর এক আক্রমণ। তাদের ৪-২-৩-১ ছকে দলের সমন্বয়ও ছিল দেখার মতো। অন্যদিকে ৩-৫-২ ফর্মেশনে মোহামেডান ঠিকঠাকমতো খেলতে পারছিল না। তাদের নিষ্প্রভ মনে হয়েছে। বিশেষ করে মালির স্ট্রাইকার সোলেমানে দিয়াবাতে এই ম্যাচে জ্বলে উঠতে পারেননি। পারেননি অন্যরাও!
ম্যাচের শুরু থেকে আবাহনী আক্রমণে এগিয়ে থাকে। ২ মিনিটে সানডের বাঁ পায়ের শট গোলকিপার ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঁচান।
১৬ মিনিটে জীবনের ক্রসে বেলফোর্টের হেড বক্সের ভিতরে থেকে সানডে লক্ষ্যে শট নেওয়ার আগেই মোহামেডানের এক ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করেন।
পরের মিনিটে আসে প্রথম গোল। মামুনুলের কর্নারে লাফিয়ে উঠে হেড করে কেরভেন্স বেলফোর্ট দলকে এগিয়ে নেন।
এক গোলে পিছিয়ে পড়ে মোহামেডান প্রতি আক্রমণে উঠে গোল শোধ দেওয়ার চেষ্টা করেছে।
২৪ মিনিটে হাবিবুর রহমান সোহাগের কর্নারে ওবি মনেকের হেড ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়।
৩৩ মিনিটে আবাহনী ঠিকই ব্যবধান বাড়িয়ে নেয়। বাঁ প্রান্ত থেকে বেলফোর্টের পাসে বল বুক দিয়ে নামিয়ে দারুণ ভলিতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন কিরগিজ খেলোয়াড় এডগার বার্নহার্ট।
তিন মিনিট পর ব্যবধান কমাতে পারতো মোহামেডান যদি ওবি মনেকের জোরালো শট গোলকিপার শহীদুল আলম ফিস্ট করে না ফেরাতেন।
৪৩ মিনিটে আবাহনী পেয়ে যায় তৃতীয় গোল। বার্নহার্টের নিচু ক্রস পেয়ে কোনাকুনি শটে লক্ষ্যভেদ করেছেন বেলফোর্ট।
বিরতির পর আবাহনী বলের নিয়ন্ত্রণ রেখে ৬৩ মিনিটে চতুর্থ গোলটি করে। মামুনুলের লব থেকে সানডের পাসে জীবন হেডে ৪-০ করে মোহামেডানকে আর ম্যাচেই ফিরতে দেননি।
যদিও ৭৬ ও ৭৯ মিনিটে মোহামেডানের মালিযান স্ট্রাইকার সোলেমানে দিয়াবাতে তেড়েফুঁড়ে চেষ্টা চালিয়েছিলেন। তার প্রথম শট পোস্ট ঘেঁষে যায়। পরেরটি প্রতিহত হয় পোস্টে।