অন্যদিকে শেখ রাসেল পঞ্চম ম্যাচে এসে প্রথম জয়ের দেখা পেয়েছে। নিজেদের মাঠে ২-০ গোলে হারিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্রকে।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে শনিবার দুই আবাহনীর লড়াইয়ে প্রথমার্ধে এগিয়ে যেতে পারতো মারিও লেমোসের দল। কিন্তু অনেক আক্রমণ গড়েও গোল পায়নি তারা। ম্যাচের ১৬ মিনিটে রায়হানের লম্বা থ্রো থেকে বেলফোর্টের হেড পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। পরের মিনিটে মামুনুলের কর্নারে মেলসনের হেডও যায় পোস্টের বাইরে দিয়ে। প্রথমার্ধের শেষের দিকে চট্টগ্রাম আবাহনী সুযোগ পায়। তবে ৩৯ মিনিটে পুলাতভ শুকুর আলীর ফ্রি-কিক গোলকিপার শহীদুল আলম তালুবন্দী করে গোল হতে দেননি।
বিরতির পর আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমে ওঠে ফুটবল। সুযোগ পেয়েই গোল করেছেন মারুফুল হকের ছাত্ররা। ৬৩ মিনিটে রাকিব হোসেনের কাটব্যাকে বক্সের বাইরে থেকে চার্লস দিদিয়ের জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন।
৮০ মিনিটে চট্টগ্রাম আবাহনীর রাকিব হোসেনের ক্রসে চিদেনু ম্যাথিউ চেষ্টা করেছিলেন বলে পা ছোঁয়াতে পারেনি, কিন্তু সফল হতে পারেননি। ৮৭ মিনিটে সোহেল রানার ক্রসে জীবনের ভলি গোলকিপার ঝাঁপিয়ে পড়ে বাঁচিয়ে দেন। যোগ করা সময়ে নাসিরুল ইসলাম ২-০ করে চট্টগ্রাম আবাহনীর জয় সুনিশ্চিত করেন।
৫ ম্যাচে প্রথম হারে আগের ১০ পয়েন্টই রইলো আবাহনীর হাতে। সমান ম্যাচে তৃতীয় জয়ে ১০ পয়েন্ট হলো চট্টগ্রামের দলটির।
একইদিনে সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে শেখ রাসেল ২-০ গোলে হারিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্রকে। দুটি গোলই হয়েছে প্রথমার্ধে। ম্যাচের ৭ মিনিটে প্রথম গোল করেন আলিসন উদোকা।
২৭ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে আরেক নাইজেরিয়ান রাফায়েল ওদোয়িন হেডে ব্যবধান বাড়ান। এই স্কোরলাইন ধরে রেখেই মাঠ ছেড়েছে শেখ রাসেল।
৫ ম্যাচে শেখ রাসেলের অর্জন ৫ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলে চতুর্থ হারে ১ পয়েন্টের বেশি জমাতে পারেনি মুক্তিযোদ্ধা।