যদিও বড় দুই ক্লাব আবাহনী ও বসুন্ধরা কিংস শুরুতে লিগ বাতিলের পক্ষে ছিল না। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে বাফুফের সিদ্ধান্ত তারাও মেনে নিয়েছে। আবাহনীর ম্যানেজার সত্যজিৎ দাশ রুপু বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘শুরুতে অমরা চাইনি লিগ বাতিল হোক। কিন্তু দেখা গেছে অন্য সব ক্লাবই আর খেলতে চাইছে না। তাই সবার কথা চিন্তা করে আমরাও শেষ পর্যন্ত আর খেলতে চাইনি। এখন যাদের সঙ্গে খেলব তারাই যদি খেলতে না চায়, তাহলে কী করার আছে। এখন আগামী মৌসুম যত দ্রুত শুরু হবে তত সবার জন্য ভালো। তবে অবশ্যই তা করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।’
বসুন্ধরা কিংসের সভাপতি ইমরুল হাসান লিগ বাতিলের সিদ্ধান্তে দ্বিমত প্রকাশ করেননি, ‘বাস্তবতা বিবেচনায় বাফুফের লিগ বাতিলের সিদ্ধান্ত যৌক্তিক। কারণ তিন-চারটি ক্লাব বাদে বাকিদের পক্ষে করোনাকালে ক্যাম্প খরচ ওঠানোই কঠিন। কোনও ব্যবসায়ী এখন এই কারণে টাকা দেবে কিনা সংশয় আছে। তবে ফুটবলারদের সঙ্গে ক্লাবগুলোর কী মধ্যস্থতা হবে, তা নিয়ে নির্দেশনা থাকলে ভালো হতো।’
বাফুফের এমন সিদ্ধান্তের পর বিদেশি খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে দিয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী। তাদের ম্যানেজার আরমান আজিজ বলেছেন, ‘মৌসুম পরিত্যক্ত হওয়ার ঘোষণার পর আমরা এখন বিদেশিদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছি। তারাও বুঝতে পারছে আমাদের দেশের অবস্থা। টাকা-পয়সার ব্যাপারে আলোচনা চলছে, তারা আন্তরিক।’
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রের ম্যানেজার আরিফুল ইসলাম বাফুফেকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, ‘ফেডারেশনকে ধন্যবাদ যে তারা অবশেষে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পেরেছে। বিদেশিদের সঙ্গে আমাদের চুক্তি ছিল মার্চ পর্যন্ত। জাপানি ফুটবলার আগে চলে গেছে, বাকি বিদেশিদের যাওয়ার ব্যবস্থা করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছি আমরা। যতদিন না অন্য বিদেশিদের ফেরত পাঠাতে পারছি, ততদিন এখানে নিরাপদে রাখতে হবে তাদের।’