আগেই লিগ কমিটির কাছে ফুটবলাররা ৫০ থেকে ৬০ ভাগ অর্থ ছাড় দিতে রাজি হয়েছেন। কিন্তু ক্লাবগুলো সেই পথে হাঁটেনি। তারা বরং পারিশ্রমিক আরও কমিয়ে মাঠে খেলা ফেরাতে চায়।
ক্লাবগুলোর প্রস্তাব শুনে রীতিমতো হতাশ বসুন্ধরা কিংস ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘আমরা তো খেলা বন্ধ (পরিত্যক্ত লিগ) করিনি। আমরা খেলতে চেয়েছিলাম। আসলে অনেক টাকা পেলে তখন বড় অঙ্কের ছাড় দেওয়ার সুযোগ থাকে। অনেক দেশের লিগ হিসাব করলে আমরা তো সেভাবে পারিশ্রমিক পাই না। এখন বড় অঙ্কের পারিশ্রমিক ছাড় দিতে হলে আমরা সমস্যায় পড়ে যাব।’
কথার পরের অংশে এই ডিফেন্ডার যোগ করলেন, ‘এখন যার যার ক্লাবের সঙ্গে কথা বলা উচিত। তারা কী করতে চায়। এটা আমার কাছে মানানসই প্রস্তাব নয়। এখন নতুন মৌসুমে ২০ ভাগ টাকা পেলে একজন খেলোয়াড় কীভাবে চলবে? এছাড়া যারা বড় দলে খেলে না তাদের কী হবে? যারা ৪ কিংবা ৫ লাখ টাকায় খেলে তাদের তো ছাড় দিলে নতুন মৌসুমে কিছুই থাকবে না।’
শেখ রাসেলের গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানাও হতাশ, ‘তারা যেটা বলছে তা আশাব্যঞ্জক খবর নয়। এতটা কম প্রত্যাশা করিনি। পরের মৌসুমে আমরা ৫০ ভাগ টাকা চেয়েছিলাম। এখন এই খবরে হতাশ হয়েছি। এই অর্থ দিয়ে কীভাবে একজন খেলোয়াড় সারা বছর খেলবে। এটা কি কেউ ভেবেছে?’
ক্লাব ও ফুটবলারদের সমস্যা সমাধানে বাফুফের পেশাদার লিগ কমিটি চেষ্টা করে যাচ্ছে। রানা তাকিয়ে আছেন কমিটির দিকে, ‘আমরা পেশাদার লিগ কমিটির দিকে তাকিয়ে আছি। তারা কী সিদ্ধান্ত দেয়। তারা তো বলেছে আমাদের বিষয়গুলোর সমাধান করে দেবে। এখন দেখি সামনের দিকে কী হয়।’