২০১৮ সাফ ফুটবলের পর থেকে জাতীয় দলে নিয়মিত খেলে আসছেন শেখ রাসেল গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানা। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ও বিশ্বকাপ বাছাইয়ের সব ম্যাচেই তেকাঠির নিচে বড় ভরসা ছিলেন অভিজ্ঞ এই গোলকিপার।
জেমি ডে অবশ্য রানার দলে না থাকার ব্যাখ্যায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘এটা প্রীতি ম্যাচ। তাই অন্যরা কেমন খেলে তা দেখার জন্যই রানা দলে নেই। এছাড়া আমি জানি রানা কী করতে পারে। আমাদের এখানে ফলের চেয়ে দল কেমন খেলে সেটা দেখতে হবে।’
চোটের কারণে আগেই কাজী তারিক রায়হান, আব্দুল্লাহ ও মামুনুল ইসলাম বাদ পড়েছেন। বৃহস্পতিবার ফরোয়ার্ড আরিফুর রহমানও চোটের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। এছাড়া মাশুক মিয়া জনি ও মতিন মিয়া চোটের কারণে ক্যাম্পেই যোগ দেননি।
৩৬ সদস্যের দল থেকে আরও বাদ পড়েছেন গোলকিপার পাপ্পু হোসেন, ডিফেন্ডার টুটুল হোসেন বাদশা, রায়হান হাসান, মনজুরুর রহমান মানিক, মিডফিল্ডার নাজমুল ইসলাম ও স্ট্রাইকার ফয়সাল আহমেদ ফাহিম। কেউ ইনজুরির কারণে, কেউ পারফরম্যান্সের কারণে, কেউ আবার ফিটনেসের কারণে মূল স্কোয়াডে সুযোগ পাননি।
অবশ্য নেপালের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের জন্যই শুধু এই দল। দ্বিতীয় ম্যাচের জন্য পরে আবার দল ঘোষণা করা হবে।
করোনাভাইরাসের ধাক্কা কাটিয়ে নেপাল ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল ফিরছে বাংলাদেশে। সফরকারীদের সঙ্গে দুটি প্রীতি ম্যাচ হবে। আগামীকাল প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয়টি ১৭ নভেম্বর।
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ দল:
গোলকিপার: শহিদুল আলম সোহেল, আনিসুর রহমান জিকো; ডিফেন্ডার: তপু বর্মণ, ইয়াসিন খান, বিশ্বনাথ ঘোষ, সুশান্ত ত্রিপুরা, রহমত মিয়া, রিয়াদুল হাসান, ইয়াছিন আরাফাত; মিডফিল্ডার: আতিকুর রহমান ফাহাদ, রবিউল হাসান, সোহেল রানা, জামাল ভূঁইয়া, মানিক হোসেন মোল্লা; ফরোয়ার্ড: রাকিব হোসেন, বিপলু আহমেদ, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, মাহবুবুর রহমান সুফিল, তৌহিদুল আলম সবুজ, সাদ উদ্দিন, নাবীব নেওয়াজ জীবন, এমএস বাবলু, সুমন রেজা।