বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দুই দল রক্ষণ জমাট রেখে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করেছে। বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ জেমি ডে করোনায় আক্রান্ত। তার জায়গায় সহকারী স্টুয়ার্ট ওয়াটকিস ডাগ আউটে। তার অধীনে একাদশে দুটি পরিবর্তন এনে নেমেছে বাংলাদেশ। ৪-২-৩-১ ফর্মেশনে গোলকিপার আশরাফুল ইসলাম রানা ও ইয়াসিন খান শুরু থেকে খেলছেন। ২ মিনিটের সময় প্রথম সুযোগ পায় বাংলাদেশ। সাদ উদ্দিনের ক্রসটি জমে যায় গোলকিপার কিরণ কুমারের তালুতে।
পরের মিনিটে অবশ্য নেপালের তেজ তামাংয়ের দূরপাল্লার শট গোলকিপার রানার তালুবন্দী করতে তেমন কোনও সমস্যাই হয়নি। জামালরা লম্বা পাসে খেলার চেষ্টা করেছেন। তবে মাঝমাঠ আগের ম্যাচের মতো কিছুটা নিষ্প্রভ। নাবীব নেওয়াজ জীবন প্লে-মেকারের ভূমিকায় ঘাম ঝরিয়েছেন। একাধিক আক্রমণের উৎসে এই ফরোয়ার্ড।
তরুণ স্ট্রাইকার সুমন রেজা দুটি সুযোগ পেয়েও লক্ষ্যভেদ করতে পারেননি। ২৩ মিনিটে জীবনের পাস থেকে সুমন রেজা বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শট নিলেও তা ক্রসবারের একটু ওপর দিয়ে যায়। ৩১ মিনিটে জীবনের ক্রস থেকে সুমন রেজার আরও একটি দুর্বল শট গোলকিপার কিরণ সহজেই রুখে দিয়ে স্বাগতিকদের হতাশ করেন।
বাংলাদেশ একাদশ: আশরাফুল ইসলাম রানা, তপু বর্মণ, বিশ্বনাথ ঘোষ, রহমত মিয়া, ইয়াসিন খান, জামাল ভূঁইয়া, মানিক মোল্লা, ইব্রাহিম, সাদ উদ্দিন, নাবীব নেওয়াজ জীবন, সুমন রেজা।