যদিও গতানুগতিক ড্র বলতে যা বোঝায় তা হয়নি অনুষ্ঠানে। বাফুফে আগে থেকেই গ্রুপিং সম্পন্ন করে রেখেছিল! তাদের ভাষায় টুর্নামেন্টকে ভারসাম্যপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক করার জন্যই এই পদক্ষেপ। তাই পর্দা তুলে গ্রুপিং উন্মোচন করেছেন অর্থমন্ত্রী।
নিজ বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ফুটবল বাংলার মানুষের প্রাণের খেলা, আমি বঙ্গবন্ধু কাপের সাফল্য কামনা করি। সিলেটে খেলা হওয়ার কথা ছিল কিন্তু অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেটের জন্য এবার সিলেটে এটি অনুষ্ঠিত হতে পারছে না। তবে এবার অনুষ্ঠিত হবে যশোর ও ঢাকায়। আমি এর গত আসরের সঙ্গেও সম্পৃক্ত ছিলাম। তাই আমার কাছে মনে হয়েছে এর আবেদন আছে, আমি চাই বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ ফুটবল ২০১৮ সালের মধ্যে এশিয়ার সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টের একটিতে পরিণত হবে।’
এদিকে বাফুফে সূত্র জানিয়েছে, গতবার বিজয়ী দলকে গোল্ড কাপ ট্রফি দেওয়া হলেও এবার নগদ প্রাইজ মানি দেওয়া হবে। চ্যাম্পিয়ন দলকে পঞ্চাশ হাজার ও রানার্স আপ দলকে পঁচিশ হাজার ডলার পুরস্কার দেওয়ার চিন্তা ভাবনা করছে বাফুফে।
ড্র অনুষ্ঠানে স্পন্সর এবি ব্যাংক, পারটেক্স গ্রুপ, হামিম গ্রুপ, বাংলাদেশ ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন, সম্প্রচার ও টুর্নামেন্ট স্বত্বাধিকারী চ্যানেল নাইনের কর্মকর্তারা এবং বাফুফে সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
/আরএম/এফআইআর/