ফেডারেশনের কাপে আবাহনীর ঈর্ষণীয় সাফল্য। রেকর্ড ১১বারের চ্যাম্পিয়ন। গত মৌসুমে শিরোপা জিততে না পারায় এবার পুনরুদ্ধারে মরিয়া দলটি।
আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমস আশাবাদী, ‘লম্বা বিরতির পর প্রস্তুতি শুরু করেছি। প্রস্তুতি ভালো। কোনও চোট সমস্যা নেই। এই টুর্নামেন্ট নিয়ে আমাদের প্রত্যাশা বড়। ম্যাচগুলো কঠিন হবে, তবে ছেলেরা প্রস্তুত, অনুপ্রাণিত। ভালো শুরু করাটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বড় প্রত্যাশা, আপনারা বুঝতেই পারছেন, আবাহনী এই প্রতিযোগিতার ১১বারের চ্যাম্পিয়ন।’
ফেডারেশন কাপের সাফল্যে আবাহনীর ঠিক পরের স্থানেই মোহামেডান। ১০টি শিরোপা আছে তাদের। যদিও সর্বশেষটি সেই ২০০৯ সালে। এরপরও দলটির অস্ট্রেলিয়ান কোচ শন লেনের অধীনে ভালো করতে প্রস্তুত তারা।
লেন বলেছেন, ‘ফেডারেশন কাপে আমাদের প্রথম লক্ষ্য গ্রুপের সেরা দুই দলের একটি হয়ে পরের ধাপে যাওয়া। যদি আমরা এটা করতে পারি, তাহলে টুর্নামেন্টের পরের সময়টাতে যে কোনও কিছু হতে পারে।’
শেখ জামাল ধানমন্ডি ২০১৫ সালে সবশেষ ফেডারেশন কাপ জিতেছে। এছাড়া কয়েক মৌসুম ধরে লড়াই করছে তারা। কোচ শফিকুল ইসলাম মানিক আশাবাদী তার দল নিয়ে, ‘শেখ জামাল সবসময় দল গড়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য। গতবারও তাই করেছিল। তবে অনুশীলনের পর্যাপ্ত সময় ছিল না। এবার আমরা চার সপ্তাহের অনুশীলন করেছি। যেটা যথেষ্ট নয়। এ কারণে ফিটনেসের কিছুটা ঘাটতি থাকতে পারে।’
বাংলাদেশ পুলিশ এফসির হাল ধরেছেন শ্রীলঙ্কান পাকির আলি। লম্বা সময় আবাহনীতে খেলে যাওয়া সাবেক এই ডিফেন্ডার বাংলাও ভালো জানেন। বাংলাতেই তরুণ খেলোয়াড়দের নিয়ে লড়াইয়ের কথা শোনালেন, ‘আমার একটা তরুণ দল আছে, বাংলাদেশ জাতীয় দল এবং বয়সভিত্তিক দলগুলোর জন্য আমরা অনেক ভালো খেলোয়াড় তৈরি করবো। আর এই প্রতিযোগিতায় আমরা চেষ্টা করবো ভালো খেলতে। প্রতিটি ভালো দলের বিপক্ষে আমরা ভালো লড়াই করবো।’
ব্রাদার্স ইউনিয়ন ও মুক্তিযোদ্ধা মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম আবাহনী ও সাইফ স্পোর্টিং ট্রফির দিকে দৃষ্টি রেখে নামছে মিশনে। তবে মাঠেই প্রমাণ হবে কোন দল সেরা!