৩ গোলে এগিয়ে থেকে জয়ের সুবাস পাচ্ছিল চট্টগ্রাম আবাহনী। কিন্তু তখনও যে ম্যাচের অনেক রোমাঞ্চ বাকি। শেষ কয়েক মিনিটে পাল্টে গেল দৃশ্যপট। পিছিয়ে পড়া পুলিশ এফসি দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে ৩ গোল করে নাটকীয় সমতায় শেষ করলো ম্যাচ। আজ (রবিবার) প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি শেষ হয়েছে ৩-৩ গোলের ড্রতে।
চট্টগ্রাম আবাহনী ৮ ম্যাচে তৃতীয় ড্রতে পেয়েছে ৯ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলে দ্বিতীয় ড্রতে পুলিশের সংগ্রহ ৮ পয়েন্ট।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে পুলিশ আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও গোল পেয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনী। তিন মিনিটের মধ্যে হয়েছে ২ গোল। ১৭ মিনিটে মান্নাফ রাব্বির কাটব্যাকে ব্রাজিলিয়ান নিক্সন গুলের্মে প্লেসিং করে এগিয়ে নেন বন্দরনগরীর দলকে। দুই মিনিট পর ফরোয়ার্ড রাকিব হোসেনের গোলে চট্টগ্রাম আবাহনী ব্যবধান দ্বিগুণ করে। দারুণ একটি থ্রু পাস থেকে দুই ডিফেন্ডারের মাঝ দিয়ে বক্সে ঢুকে আগুয়ান গোলকিপার মোহাম্মদ নেহালের পাশ দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন রাকিব।
বিরতির পরও চট্টগ্রাম আবাহনী চালকের আসনে। ৪৯ মিনিটে ৩-০ গোলে এগিয়ে গিয়ে পুলিশকে ম্যাচ থেকে একরকম ছিটকেই দেয় তারা। গোলকিপার নেহাল বল ছুঁড়ে দিয়েছিলেন সতীর্থ জয়ন্ত কুমারের উদ্দেশ্যে, কিন্তু পেছন থেকে দৌড়ে এসে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে রাকিব দ্বিতীয়বার জাল খুঁজে পান।
৩ গোলে পিছিয়ে পড়েও পুলিশ দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে। সেট পিস থেকে বাজিমাত করেছে পাকির আলীর দল। ৫৮ মিনিটে কিরগিজস্তানের মুরোলিমঝনের কর্নারে আইভরি কোস্টের ফ্রেড্রিক পোদা জোরালো হেডে প্রথম লক্ষ্যভেদ করেন।
৭৫ মিনিটে মুরোলিমঝনের আরও একটি বাঁ প্রান্তের কর্নার থেকে আইভরি কোস্টের ল্যানসিন তোরে হেডে গোলকিপার মাজহারুল ইসলামকে হারিয়ে দেন।
ম্যাচে সমতা ফেরানোর আপ্রাণ চেষ্টা করা পুলিশ সফল হয়েছে ইনজুরি সময়ে। চট্টগ্রাম আবাহনী গোলকিপার মাজহারুল ঠিকমতো বল তালুবন্দী করতে পারেননি, তার হাত থেকে ছুটে যাওয়া বলে কমল বড়ুয়া লক্ষ্যে শট নিলেও ডিফেন্ডার মনজুরুর রহমান মানিক হাত দিয়ে রুখে দেন! রেফারি পেনাল্টির বাঁশির সঙ্গে মানিককে দেখান লাল কার্ড।
আইভরি কোস্টের বাল্লো ফামুসা স্পট কিক থেকে গোল করে পুলিশকে এনে দেন জয়ের সমান ড্র।