‘ঝুঁকি’ নেওয়ার সুফল পেয়েছে বাংলাদেশ

প্রথমার্ধে লড়াই করেও আফগানিস্তানের জালে বল জড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। বরং দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে পিছিয়ে পড়ে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। শেষ দিকে গোল শোধও দেয় জামাল ভূঁইয়ারা। বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বে ‘ই’ গ্রুপে নিজেদের ষষ্ঠ ম্যাচে আফগানদের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে মাঠ ছেড়েছে তারা। পিছিয়ে থেকে ম্যাচে ফিরতে বাংলাদেশ ঝুঁকি নিয়েছে—ম্যাচ শেষে এমনটাই জানালেন আফগান কোচ আনোস দস্তগীর।

দোহার ম্যাচের ৪৭ মিনিটে গোল হজমের পর বাংলাদেশ খেলায় ফিরতে রক্ষণাত্মকের খোলস ছেড়ে আক্রমণাত্মক হয়। শেষ দিকে তৈরি করে একাধিক সুযোগ। তেমনই একটি সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৮৪ মিনিটে রিয়াদুলের হেড থেকে ডিফেন্ডার তপু বর্মণের গোলে স্বস্তি ফেরে লাল-সবুজ শিবিরে। এমন পারফরম্যান্সে আফগান কোচের প্রশংসাই পাচ্ছেন তপু-রিয়াদুলরা।

ম্যাচ শেষে দস্তগীর বলেছেন, ‘প্রথম গোলের পর আমরা বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে আরও একটি গোল করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তখন বাংলাদেশ আরও আক্রমণাত্মক খেলেছে। সেই সঙ্গে ঝুঁকিও নিয়েছে। শেষ পর্যন্ত তাদের পরিকল্পনা সফল হয়েছে।’

এক গোলে এগিয়ে থাকলেও যে শঙ্কা কাটে না, সেটা আফগানরা খুব ভালো করে টের পেয়েছে। তাই তাদের ৩১ বছর বয়সী কোচের উপলব্ধি, ‘এক গোল করার পর আমাদের দ্রুত দ্বিতীয় গোল করা উচিত ছিল। হয়তো বাংলাদেশ আমাদের সমমানের নয়, কিন্তু এটাই ফুটবল। ৯০ মিনিটের খেলা। তারা লং বলে খেলেছে। আমরা আমাদের মতো করে চেষ্টা করেছি। এখন পরের ম্যাচে ভালো করার চেষ্টা থাকবে।’