৭ হাজার ৫০৪ দিন পর আলাদা লিওনেল মেসি ও বার্সেলোনা। কাতালান ক্লাবটির সঙ্গে আর্জেন্টাইন অধিনায়কের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বুধবার রাতে। এখন তিনি ‘ফ্রি এজেন্ট’। চাইলে যেকোনও দলে চলে যেতে পারবেন। কিন্তু বার্সেলোনা তা হতে দেবে কেন?
তারা চেষ্টা করে যাচ্ছে ‘ঘরের ছেলেকে’ ঘরে রাখতে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এটাই সত্য- মেসি আর বার্সেলোনার খেলোয়াড় নন। তাই যতই আলোচনা চলুন না কেন, পেশাদারি নিয়মে মেসি ন্যু ক্যাম্পে থাকছেন, সেটা জোর গলায় এখন বলতে পারছেন না বার্সেলোনা সভাপতি জোয়ান লাপোর্তা।
গত মৌসুম শুরুর আগেই মেসি বুরোফ্যাক্সের মাধ্যমে বার্সেলোনাকে জানিয়েছিলেন তিন আর থাকতে চান ন্যু ক্যাম্পে। যদিও তাকে যেতে দেয়নি তখনকার বোর্ড। চুক্তির এক বছর থাকতে মেসি যেতে না পারলেও এবারের গ্রীষ্মে যেহেতু তার মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে, তাই নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে আর্জেন্টাইন তারকার ন্যু ক্যাম্প ছাড়ার গুঞ্জন উঠেছিল প্রবলভাবে। তবে লাপোর্তা সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর সেই গুঞ্জনে ভাটা পড়ে, বরং এরপর থেকে শোনা যায়, বার্সেলোনায় চুক্তি বাড়াচ্ছেন মেসি।
যদিও সেটা হয়নি। ৩০ জুন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে তাকে নবায়ন করতে পারেনি কাতালান ক্লাব। অবশ্য মেসির বাবার সঙ্গে আলোচনা চলছে লাপোর্তার। শিগগিরই তারা সমঝোতায় পৌঁছে যাবেন বলে খবর। চুক্তির আলোচনা টেবিলে থাকলেও যেহেতু এখন মেসি আর বার্সেলোনার খেলোয়াড় নন, তাই তিনি বার্সেলোনায় থাকবেন, সেটা বলার সুযোগ দেখছেন না লাপোর্তা।
এক স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বার্সা সভাপতি বলেছেন, “আমরা চাই লিও (মেসি) থাকুক এবং ও নিজেও থাকতে চায়। সবকিছু সঠিক পথেই এগোচ্ছে। আমরা একটা সমাধানে পৌঁছাতে চাইছি, যাতে সবাই খুশি হয়। ব্যাপারটা এখন ‘ফেয়ার প্লে’।”
এরপরই লাপোর্তা বললেন, ‘মেসি থাকছে, কথাটা বলতে অবশ্যই আমার ভালো লাগবে, কিন্তু এই মুহূর্তে আমি এটা বলতে পারছি না। কারণ আমরা বিষয়গুলো (চুক্তির ব্যাপার) নিয়ে এখনও কাজ করছি।’
অর্থাৎ, বার্সেলোনা সভাপতি আশাবাদী মেসির থাকার ব্যাপারে। দ্বিতীয় মেয়াদে সভাপতি হওয়ার পর থেকেই লাপোর্তা বলে আসছেন, মেসি থাকবেন। দেখা যাক কী হয়!