ইউরোর ফাইনালে ইংল্যান্ডের হারের পর থেকে মার্কাস রাশফোর্ড স্বস্তিতে নেই। বিশেষ করে ইতালির বিপক্ষে পেনাল্টি মিসের পর থেকেই বর্ণবাদী আক্রমণের শিকার হয়েছেন। শুটআউটে তার মতো ব্যর্থ ছিলেন জেডন সাঞ্চো ও বুকায়ো সাকাও। এই ব্যর্থতায় রাশফোর্ড ক্ষমা চাইলেও বর্ণ নিয়ে আক্রমণ করায় এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।
ইংলিশ তিন তারকার পেনাল্টি মিসে ইতালির কাছে ৩-২ ব্যবধানে হেরেছে ইংল্যান্ড। এর পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন সবাই। রাশফোর্ড মেনে নিয়েছেন যে ওই সময় তার আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ছিল। টুইটারে বিশাল বক্তব্যে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড বলেছেন, ‘জানি না কোথা থেকে শুরু করবো। এখন আমার অনুভূতি প্রকাশ করতেও ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। এই মৌসুমটা আমার জন্য কঠিন ছিল, সেটা সবার কাছেই পরিষ্কার। তবে ফাইনালে আমার আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ছিল। আমি বরাবরই পেনাল্টি নিতে আত্মবিশ্বাসী থাকি। কিন্তু এবার মনে হয়েছে কোথাও ভুল ছিল।’
সেই ভুলের জন্যই এর পর ক্ষমা চেয়েছেন রাশফোর্ড, ‘ফাইনাল, ৫৫ বছর, একটি পেনাল্টি, ইতিহাস! আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি, আমি দুঃখিত।ইশ! ঘটনাটা যদি ভিন্নভাবে হতো। তার পরেও আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। সতীর্থদের কাছে চিৎকার করে এটাই বলতে চাই।’
তিনি আরও যোগ করে বলেছেন, ‘এবারের গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্পটি আমার দেখা সেরা। সবাই সেখানে ভূমিকা রেখেছে। এর মাধ্যমে যে ভ্রাতৃত্ব গড়ে উঠেছে সেটি কখনো ভাঙা যাবে না। তোমাদের সফলতাই আমার সফলতা। তোমাদের ব্যর্থতা, আমারও ব্যর্থতা।
এর পরেই তিনি বর্ণবাদ নিয়ে কঠোরভাবে বলেছেন, ‘আমি এমনই একধরনের খেলায় বড় হয়েছি, যেখানে নিজের সম্পর্কে অনেক কিছু পড়ি। সেটা হতে পারে আমার গায়ের রং, কোথায় বড় হয়েছি অথবা আমি কীভাবে মাঠের বাইরে সময় কাটাই। আমি আসলে নিজের পারফরম্যান্সের সমালোচনা গ্রহণ করতে পারি। সেটা পেনাল্টি নিয়ে সারা দিনই হোক না কেন। কিন্তু আমি কে এবং কোথা থেকে এসেছি- তার জন্য কখনো ক্ষমা চাইবো না।’